হাজীগঞ্জে গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সীমাহীন লোডশেডিং। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেশি বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা।
খবর নিয়ে জানা গেছে, সম্পূর্ণ হাজীগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (আরইবি) । দিনে-রাতে মিলে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি হচ্ছে লোডশেডিং।হাজিগঞ্জ বাজার ও পৌর এলাকায় প্রতি ১ থেকে দেড় ঘণ্টা পর পর হচ্ছে লোডশেডিং। ভয়াবহ অবস্থা প্রত্যন্ত অঞ্চলের। যেখানে ২৪ ঘণ্টায় ৪ থেকে ৬ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পান না গ্রাহকরা।
এত অসহ্য গরম আর লোডশেডিং মিলে অতিষ্ঠ জনজীব
সাধারণ মানুষের অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছে না গ্রাহকরা। অতিমাত্রায় লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, গ্রাহকদের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, অসহ্য গরমে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছে না মানুষ, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নষ্ট হচ্ছে বিদ্যুৎচালিত জিনিসপত্র ও কল কারখানার মেশিন।
এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ বলছে, অতিরিক্ত গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম হওয়ায় লোডশেডিং অনেকটা বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিং সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছেন তারা।তবে কবে নাগাদ সরবরাহ বাড়বে তা তারা বলতে পারছে না।




















