আগামী ২ অক্টোবর মহালয়া থেকে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে বন্যার কারনে এখনও প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়নি। পূজা শুরু হওয়ার কয়েকদিন পূর্বে প্রতিমার কাজ শুরু হবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফলে বন্যার জন্য সনাতনধর্মাবলম্বীরা এবার সীমিত পরিসরে পালন করবে দুর্গাপূজা।
জানা গেছে, এবার হাজীগঞ্জ উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে ২৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মণ্ডপ এখন দুর্গার অপেক্ষায়। দোলায় দুর্গা আসবে এই প্রতীক্ষায় ভক্তরা। আর ঘোটকে দূর্গার গমনের মধ্যে দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
৯ অক্টোবর ষষ্ঠীর বেলপাতা বরণের মধ্য দিয়ে দেবীদুর্গার আগমন ঘটবে। ১০ অক্টোবর নবপত্রিকা পূজা (কলাবউ পূজা) মধ্য দিয়ে সপ্তমী, ১১ অক্টোবর কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজার মধ্য দিয়ে অষ্টমী, ১২ অক্টোবর দূর্গা বলিদান ও নবমী যজ্ঞের মধ্য দিয়ে মহানবমী অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ অক্টোবর দুর্গা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গাপূজার কার্যক্রম।
উপজেলার বেশ কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়নি। শেষ মুহূর্তে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করবেন কারিগররা। তবে কোন কোন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করতে আসবাবপত্র মন্দির এলাকায় এনেছেন।
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রোটা. রুহিদাস বনিক বলেন, এই উপজেলায় এবার ছোট বড় মিলিয়ে ২৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছর সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান পেয়ে থাকি। আশা করছি এবারও পাব।
তিনি আরও বলেন, আমরা কোন সময়ে পূজামন্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ মনে করি না। আশা করছি অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও পূজা সুষ্ঠু এবং সুন্দর ভাবে পালন করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ) সার্কেল পঙ্কজ কুমার দে জানান, দুর্গাপূজার সময় আইনশৃঙ্খলা সুষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে যেসকল মন্দিরগুলোতে প্রতিমার কাজ শুরু হয়েছে, ওই সকল মন্দির কমিটির লোকদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করছি। যে কোন সমস্যা আমাদের জানানোর জন্য তাদের বলা হয়েছে।




















