ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মানববন্ধন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 45
বৈষম্য দূরীকরণে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, জাতীয়করণের আগ পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা ও শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবিতে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষা পরিবারের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়।
এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে  উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ শিক্ষক নেতারা অংশ নেয়।
মানববন্ধনে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শরীফ উল্লাহ, ফারুকুল ইসলাম, মাওলানা মিজানুর রহমান সরকার, মাওলানা মোঃ শহীদ উল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক, একেএম তাজুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেনসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
আন্দোলনকারী এক শিক্ষক আবুল বাশার মিয়া বলেন, ‘আমাদের এক দফা এবং দাবি একটিই আমাদের জাতীয়করণ করতে হবে। দাবি আদায় না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথেই অবস্থান করবো।’
শিক্ষক নেতা গোলাম মোস্তফা জানিয়েছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মাত্র ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা, ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। অথচ একই কারিকুলামের অধীনে একই সিলেবাসের কাজে নিয়োজিত থেকে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য।
অধ্যক্ষ শহিদ উল্লাহ বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসরে যাওয়ার পর অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া বিগত কয়েক বছর যাবত অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৪ শতাংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হলেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
সারোয়ার হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা স্মার্ট করতে প্রয়োজন স্মার্ট শিক্ষক। তাই স্মার্ট শিক্ষক পেতে শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের বিকল্প নেই।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

মতলব উত্তরে বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মানববন্ধন

আপডেট : ০৬:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বৈষম্য দূরীকরণে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, জাতীয়করণের আগ পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা ও শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবিতে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষা পরিবারের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়।
এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে  উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ শিক্ষক নেতারা অংশ নেয়।
মানববন্ধনে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শরীফ উল্লাহ, ফারুকুল ইসলাম, মাওলানা মিজানুর রহমান সরকার, মাওলানা মোঃ শহীদ উল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক, একেএম তাজুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেনসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
আন্দোলনকারী এক শিক্ষক আবুল বাশার মিয়া বলেন, ‘আমাদের এক দফা এবং দাবি একটিই আমাদের জাতীয়করণ করতে হবে। দাবি আদায় না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথেই অবস্থান করবো।’
শিক্ষক নেতা গোলাম মোস্তফা জানিয়েছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মাত্র ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা, ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। অথচ একই কারিকুলামের অধীনে একই সিলেবাসের কাজে নিয়োজিত থেকে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য।
অধ্যক্ষ শহিদ উল্লাহ বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসরে যাওয়ার পর অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া বিগত কয়েক বছর যাবত অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৪ শতাংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হলেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
সারোয়ার হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা স্মার্ট করতে প্রয়োজন স্মার্ট শিক্ষক। তাই স্মার্ট শিক্ষক পেতে শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের বিকল্প নেই।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করেন।