ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঙ্গালী বন্ধুর বিয়েনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফরিদগঞ্জে সৌদি নাগরিকের আগমন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 37
বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের নাগরিক আল ইব্রাহিম। তিনি বাংলাদেশে এসে আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন। বাঙালী বন্ধু আব্দুল্লাহ ফারুকের সঙ্গে বন্ধন মজবুত করতে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। পরবর্তিতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের পাইকপাড়া ইউজি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হেলিকপ্টার যোগে অবতরণ করেন তিনি।
জানা যায়, উপজেলার জামালপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান ও শাহানারা বেগম দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান আব্দুল্লাহ ফারুক গত ৮ বছর পূর্বে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তার ভগ্নিপতি এমরান হোসেন পাটওয়ারী সৌদি মালিক আল ইব্রাহিমের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে তার। সম্প্রতি আব্দুল্লাহ ফারুক দেশে আসলে একই উপজেলার বালিথুবা গ্রামের মেয়ে সামিয়া সুলতানা’র সাথে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিয়ের তারিখ ধার্য হয় তার। এসময় তিনি সৌদি আরবের নাগরিক বন্ধু আল ইব্রাহিমকে আমন্ত্রণ জানান।
সৌদি আরবের নাগরিক আল ইব্রাহিম জানান, আমার বন্ধু আব্দুল্লাহ ফারুক যখন আমাকে বিয়েতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে তার থেকে জেনেছি। সেই থেকে তার বিয়েতে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাকে যখন ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার বন্ধুর পরিবার বরণ করেছে, তাদের এমন আতিথেয়তা ও প্রাকৃতিক দৃশ্য সবুজের সমারোহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে চলে গেলেও আবার আসবো।
এদিকে আব্দুল্লাহ ফারুক বলেন, আমরা প্রবাসীরা জীবনের কঠোর বাস্তবতায় নিজ দেশ ও পরিবার ছেড়ে প্রবাসজীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়ে থাকি। কিন্তু প্রবাসে যদি আমরা আমাদের কর্মদক্ষতা ও সততাকে কাজে লাগাই, তাহলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। যিনি আমার বিয়েতে যোগ দিতে আসছেন তার সাথে পরিচয়ের পর বর্তমানে একই সাথে ব্যবসা করে থাকি। তিনি আমার আপন ভগ্নিপতির মালিক হলেও আমার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রবাসে আমাদের বাঙালীদের দ্বারা বাঙালী ভাইদের ক্ষতি হচ্ছে। আমি চাই যারা প্রবাসে জাই, তারা যেন সব সময় সততা ও আদর্শের মাধ্যমে কাজ করে। আমাদের নীতি আদর্শ ভালো হলে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা আমাদের সাথে সম্পর্ক তৈরী করবে, এতে বাঙালীরাই লাভবান হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বাঙ্গালী বন্ধুর বিয়েনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফরিদগঞ্জে সৌদি নাগরিকের আগমন

আপডেট : ০৫:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছেন সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের নাগরিক আল ইব্রাহিম। তিনি বাংলাদেশে এসে আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন। বাঙালী বন্ধু আব্দুল্লাহ ফারুকের সঙ্গে বন্ধন মজবুত করতে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। পরবর্তিতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের পাইকপাড়া ইউজি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হেলিকপ্টার যোগে অবতরণ করেন তিনি।
জানা যায়, উপজেলার জামালপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান ও শাহানারা বেগম দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান আব্দুল্লাহ ফারুক গত ৮ বছর পূর্বে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তার ভগ্নিপতি এমরান হোসেন পাটওয়ারী সৌদি মালিক আল ইব্রাহিমের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে তার। সম্প্রতি আব্দুল্লাহ ফারুক দেশে আসলে একই উপজেলার বালিথুবা গ্রামের মেয়ে সামিয়া সুলতানা’র সাথে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিয়ের তারিখ ধার্য হয় তার। এসময় তিনি সৌদি আরবের নাগরিক বন্ধু আল ইব্রাহিমকে আমন্ত্রণ জানান।
সৌদি আরবের নাগরিক আল ইব্রাহিম জানান, আমার বন্ধু আব্দুল্লাহ ফারুক যখন আমাকে বিয়েতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে তার থেকে জেনেছি। সেই থেকে তার বিয়েতে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাকে যখন ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার বন্ধুর পরিবার বরণ করেছে, তাদের এমন আতিথেয়তা ও প্রাকৃতিক দৃশ্য সবুজের সমারোহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে চলে গেলেও আবার আসবো।
এদিকে আব্দুল্লাহ ফারুক বলেন, আমরা প্রবাসীরা জীবনের কঠোর বাস্তবতায় নিজ দেশ ও পরিবার ছেড়ে প্রবাসজীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়ে থাকি। কিন্তু প্রবাসে যদি আমরা আমাদের কর্মদক্ষতা ও সততাকে কাজে লাগাই, তাহলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। যিনি আমার বিয়েতে যোগ দিতে আসছেন তার সাথে পরিচয়ের পর বর্তমানে একই সাথে ব্যবসা করে থাকি। তিনি আমার আপন ভগ্নিপতির মালিক হলেও আমার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রবাসে আমাদের বাঙালীদের দ্বারা বাঙালী ভাইদের ক্ষতি হচ্ছে। আমি চাই যারা প্রবাসে জাই, তারা যেন সব সময় সততা ও আদর্শের মাধ্যমে কাজ করে। আমাদের নীতি আদর্শ ভালো হলে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা আমাদের সাথে সম্পর্ক তৈরী করবে, এতে বাঙালীরাই লাভবান হবে।