ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ মে থেকে সারাদেশে ডিম ও মুরগির খামার বন্ধের ঘোষণা প্রান্তিক খামারিদের

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • 33

দেশজুড়ে ডিম ও মুরগির খাতের চরম লোকসান ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে পহেলা মে থেকে সারাদেশে খামার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ ঘোষণা দেয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়লেও সিন্ডিকেটের কারণে প্রান্তিক খামারিরা ভয়াবহ লোকসানের মুখে পড়েছেন। গত দুই মাসে ডিম ও মুরগির খাতে প্রান্তিক খামারিদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

সংগঠনের তথ্যমতে, রোজা ও ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন ২০ লাখ কেজি মুরগি উৎপাদন করেও প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা করে লোকসান গুণতে হয়েছে খামারিদের। এতে এক মাসে মুরগিতে লোকসান হয়েছে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। একই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন তিন কোটি ডিম উৎপাদন করে প্রতিটি ডিমে দুই টাকা করে লোকসান হয়েছে ৩৬০ কোটি টাকা।

বিপিএর অভিযোগ, সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নীরবতার সুযোগে কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠান পোল্ট্রি শিল্প দখলের ষড়যন্ত্রে নেমেছে। তারা শুধু ফিড, বাচ্চা ও ওষুধই নয়, বাজার ব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খামারিদের ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের দাসত্বে’ বাধ্য করা হচ্ছে।

সংগঠনটি দাবি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রান্তিক খামারিদের টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য খামার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছাড়া তাদের আর কোনো পথ নেই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

১ মে থেকে সারাদেশে ডিম ও মুরগির খামার বন্ধের ঘোষণা প্রান্তিক খামারিদের

আপডেট : ০৬:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

দেশজুড়ে ডিম ও মুরগির খাতের চরম লোকসান ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে পহেলা মে থেকে সারাদেশে খামার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ ঘোষণা দেয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়লেও সিন্ডিকেটের কারণে প্রান্তিক খামারিরা ভয়াবহ লোকসানের মুখে পড়েছেন। গত দুই মাসে ডিম ও মুরগির খাতে প্রান্তিক খামারিদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

সংগঠনের তথ্যমতে, রোজা ও ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন ২০ লাখ কেজি মুরগি উৎপাদন করেও প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা করে লোকসান গুণতে হয়েছে খামারিদের। এতে এক মাসে মুরগিতে লোকসান হয়েছে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। একই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন তিন কোটি ডিম উৎপাদন করে প্রতিটি ডিমে দুই টাকা করে লোকসান হয়েছে ৩৬০ কোটি টাকা।

বিপিএর অভিযোগ, সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নীরবতার সুযোগে কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠান পোল্ট্রি শিল্প দখলের ষড়যন্ত্রে নেমেছে। তারা শুধু ফিড, বাচ্চা ও ওষুধই নয়, বাজার ব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খামারিদের ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের দাসত্বে’ বাধ্য করা হচ্ছে।

সংগঠনটি দাবি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রান্তিক খামারিদের টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য খামার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছাড়া তাদের আর কোনো পথ নেই।