ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে ব্যাংক কর্মকর্তার প্রতারনা! গ্রাহকদের কোটি টাকা গায়েব

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • 31

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা! স্থানীয় একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা গ্রাহকদের বিশ্বাস ভেঙে নিয়ে গেলেন প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
এই ঘটনায় দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এই কর্মকর্তা হলেন মো. জসিম উদ্দিন (৪১)। তিনি ফরিদগঞ্জের চান্দ্রা বাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপশাখায় কাজ করতেন। তার বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার বড় হলুদিয়ায়।

কী করেছেন তিনি?

ব্যাংকের নিয়ম-কানুন না মেনে, তিনি কয়েকজন গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরিয়ে নেন।
যাদের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে:

  • বদিউজ্জামান বেপারী – ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা
  • রুনা বেগম – ২৮ লাখ টাকা
  • নেছার আহম্মেদ – ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • মাহফুজুর রহমান – ১৭ লাখ টাকা
  • সাকিব ট্রেডার্স – ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা

সব মিলিয়ে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

তিনি RTGS নামে এক ধরনের লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহার করে এই টাকা অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন। এমনকি কারো কারো নামে লোনও তুলে নিয়েছেন—তাও তারা জানেনই না!

ধরা পড়লেন কীভাবে?

ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিষয়টি সন্দেহ হলে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে দুদক তদন্ত শুরু করে। সব প্রমাণ হাতে পেয়ে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) তার বিরুদ্ধে মামলা করে।

দুদক কী বলেছে?

দুদকের চাঁদপুর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন,

“এই কর্মকর্তা নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রতারণা করেছেন। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে ভীষণ চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই বলছে—এমন বিশ্বাসঘাতকতা আশা করা যায় না। ব্যাংকে যদি টাকা সেভ থাকেই না, তাহলে মানুষ যাবে কোথায়

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে ব্যাংক কর্মকর্তার প্রতারনা! গ্রাহকদের কোটি টাকা গায়েব

আপডেট : ১১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা! স্থানীয় একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা গ্রাহকদের বিশ্বাস ভেঙে নিয়ে গেলেন প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
এই ঘটনায় দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এই কর্মকর্তা হলেন মো. জসিম উদ্দিন (৪১)। তিনি ফরিদগঞ্জের চান্দ্রা বাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপশাখায় কাজ করতেন। তার বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার বড় হলুদিয়ায়।

কী করেছেন তিনি?

ব্যাংকের নিয়ম-কানুন না মেনে, তিনি কয়েকজন গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরিয়ে নেন।
যাদের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে:

  • বদিউজ্জামান বেপারী – ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা
  • রুনা বেগম – ২৮ লাখ টাকা
  • নেছার আহম্মেদ – ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • মাহফুজুর রহমান – ১৭ লাখ টাকা
  • সাকিব ট্রেডার্স – ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা

সব মিলিয়ে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

তিনি RTGS নামে এক ধরনের লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহার করে এই টাকা অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন। এমনকি কারো কারো নামে লোনও তুলে নিয়েছেন—তাও তারা জানেনই না!

ধরা পড়লেন কীভাবে?

ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিষয়টি সন্দেহ হলে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে দুদক তদন্ত শুরু করে। সব প্রমাণ হাতে পেয়ে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) তার বিরুদ্ধে মামলা করে।

দুদক কী বলেছে?

দুদকের চাঁদপুর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন,

“এই কর্মকর্তা নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রতারণা করেছেন। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে ভীষণ চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই বলছে—এমন বিশ্বাসঘাতকতা আশা করা যায় না। ব্যাংকে যদি টাকা সেভ থাকেই না, তাহলে মানুষ যাবে কোথায়