ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকিলা সড়ক ও জনপথ’র সম্পত্তি দখল করে বালু ভরাট

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 32
হাজীগঞ্জের বাকিলা সড়ক ও জনপথ এর সম্পত্তি বালু ফেলে ভরাট করছে প্রবাসী জালাল। ভরাটের কাজ কন্টাক নিয়ে বালু ফেলছেন মিলন নামীয় স্থানীয় ব্যক্তি। শনিবার থেকে ভরাটের বালু ফেলার কাজ করছেন কন্টাক্টর মিলন। স্থানীয় বাধা দিলেও কোন কর্নপাত করেননি প্রবাসী জালাল ও কন্টাক্টর মিলন।
বাকিলা ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর ছৈয়াল বাড়ির আশেক আলীর ছেলে জালাল উদ্দিন, তিনি সড়ক ও জনপথ এর উত্তর পাশে মালিকানা সম্পত্তি ৬ শতাংশ ক্রয় করে সড়কের সম্পত্তি দখল করে বালু ভরাটের কাজ চলমান রেখেছেন। শনিবার ১৯ এপ্রিল স্থানীয় লোকজন বাঁধা প্রদান করেন। তাদের বাঁধা তোয়াক্কা না করে স্থানীয়দের সাথে বালুর কন্টাক্টর মিলন কথা কাটাকাটি লিপ্ত হন। পরে প্রশাসন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়রা বলেন, বালু ফেলে ভরাট করলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে বর্ষা মৌসুমে বসতি বাড়ি পানি উঠে যাবে। এতে জনভোগান্তি সৃষ্টি হবে। এজন্য আমরা বাঁধা দিয়েছি। কিন্ত বালুর কন্টাক্টর মিলন আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ দাঁড় করিয়ে আমাদের মান-সম্মান নষ্ট করেছে।
কন্টাক্টর মিলন বলেন, সবাইতো সড়কের সম্পত্তি দখল করেছে। তখন আপনারা কোথায় ছিলেন। জনভোগান্তি যেন না হয় মালিক পক্ষ কালভার্ট নির্মান করবে। এজন্য বালু ভরাটের কাজ বন্ধ রেখেছি। সড়কের সম্পত্তি বন্দোবস্ত নেওয়ার কোন কাগজ নেই।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বাকিলা সড়ক ও জনপথ’র সম্পত্তি দখল করে বালু ভরাট

আপডেট : ০৬:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
হাজীগঞ্জের বাকিলা সড়ক ও জনপথ এর সম্পত্তি বালু ফেলে ভরাট করছে প্রবাসী জালাল। ভরাটের কাজ কন্টাক নিয়ে বালু ফেলছেন মিলন নামীয় স্থানীয় ব্যক্তি। শনিবার থেকে ভরাটের বালু ফেলার কাজ করছেন কন্টাক্টর মিলন। স্থানীয় বাধা দিলেও কোন কর্নপাত করেননি প্রবাসী জালাল ও কন্টাক্টর মিলন।
বাকিলা ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর ছৈয়াল বাড়ির আশেক আলীর ছেলে জালাল উদ্দিন, তিনি সড়ক ও জনপথ এর উত্তর পাশে মালিকানা সম্পত্তি ৬ শতাংশ ক্রয় করে সড়কের সম্পত্তি দখল করে বালু ভরাটের কাজ চলমান রেখেছেন। শনিবার ১৯ এপ্রিল স্থানীয় লোকজন বাঁধা প্রদান করেন। তাদের বাঁধা তোয়াক্কা না করে স্থানীয়দের সাথে বালুর কন্টাক্টর মিলন কথা কাটাকাটি লিপ্ত হন। পরে প্রশাসন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়রা বলেন, বালু ফেলে ভরাট করলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে বর্ষা মৌসুমে বসতি বাড়ি পানি উঠে যাবে। এতে জনভোগান্তি সৃষ্টি হবে। এজন্য আমরা বাঁধা দিয়েছি। কিন্ত বালুর কন্টাক্টর মিলন আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ দাঁড় করিয়ে আমাদের মান-সম্মান নষ্ট করেছে।
কন্টাক্টর মিলন বলেন, সবাইতো সড়কের সম্পত্তি দখল করেছে। তখন আপনারা কোথায় ছিলেন। জনভোগান্তি যেন না হয় মালিক পক্ষ কালভার্ট নির্মান করবে। এজন্য বালু ভরাটের কাজ বন্ধ রেখেছি। সড়কের সম্পত্তি বন্দোবস্ত নেওয়ার কোন কাগজ নেই।