চট্টগ্রাম ও ঢাকার পর এবার বরিশালেও সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। মেয়র পদে নির্বাচন নিয়ে দোদুল্যমান পরিস্থিতির মধ্যেই আদালতে গড়িয়েছে বিতর্ক। নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ এনে দায়ের করেছেন মামলা।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ছিল মামলাটির শুনানির নির্ধারিত দিন। তবে আদালত ওই দিন শুনানি গ্রহণ না করে আগামী ৫ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। ফলে বরিশাল নগরজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনমনে উৎকণ্ঠা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম অভিযোগ করেন, “নির্বাচনে বিপুল অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন প্রভাবিতভাবে ফল ঘোষণা করেছে।”
আদালতের শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় তার অনুসারীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে এ মামলাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
এ নিয়ে বরিশাল মহানগরজুড়ে চলছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, আলোচনা ও নানা গুঞ্জন। সাধারণ নাগরিকদের অনেকে প্রকাশ করেছেন উদ্বেগ—নগর পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা যেন নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের গতি থামিয়ে না দেয়।
উল্লেখ্য, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল ঘোষণা ঘিরে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক চলছিল। এখন সেটি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।




















