ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুমার খুতবা পাঠ করে নামাজ পড়ালেন ইউএনও

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:৫১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • 24

জুমার নামাজে খুতবা পাঠ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁর খুতবার ভিডিওটি ইতোমধ্যে অনলাইনে ভাইরাল হয়ে গেছে।
গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) তিনি উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের একতার হাটবাজার পরিদর্শনে গেলে, জুমার নামাজের সময় হওয়ায় স্থানীয় দক্ষিণ সোহাগদল একতার হাটবাজার জামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যান। নামাজের পূর্বে তিনি খুতবা পাঠ করেন এবং মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইসলামের গুরুত্ব ও প্রচলিত আইনের আলোকে বক্তব্য রাখেন।
ইউএনও জাহিদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আগে শিশুরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে মক্তবে আসত, কিন্তু এখন তাতে ভাটা পড়েছে। পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মান বাড়লেও ধর্মীয় শিক্ষার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি শিশুকে ধর্মীয় অনুশাসনে গড়ে তুলতে হবে, কারণ ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া প্রকৃত আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা সম্ভব নয়।”
নামাজ শেষে তিনি মুসল্লিদের জন্য শান্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন।
এই মানবিক ও অনন্য উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

জুমার খুতবা পাঠ করে নামাজ পড়ালেন ইউএনও

আপডেট : ০১:৫১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

জুমার নামাজে খুতবা পাঠ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁর খুতবার ভিডিওটি ইতোমধ্যে অনলাইনে ভাইরাল হয়ে গেছে।
গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) তিনি উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের একতার হাটবাজার পরিদর্শনে গেলে, জুমার নামাজের সময় হওয়ায় স্থানীয় দক্ষিণ সোহাগদল একতার হাটবাজার জামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যান। নামাজের পূর্বে তিনি খুতবা পাঠ করেন এবং মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইসলামের গুরুত্ব ও প্রচলিত আইনের আলোকে বক্তব্য রাখেন।
ইউএনও জাহিদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আগে শিশুরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে মক্তবে আসত, কিন্তু এখন তাতে ভাটা পড়েছে। পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মান বাড়লেও ধর্মীয় শিক্ষার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি শিশুকে ধর্মীয় অনুশাসনে গড়ে তুলতে হবে, কারণ ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া প্রকৃত আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা সম্ভব নয়।”
নামাজ শেষে তিনি মুসল্লিদের জন্য শান্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন।
এই মানবিক ও অনন্য উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।