ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে,দগ্ধ ৩

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • 24

সকালের ব্যস্ততা তখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। রূপগঞ্জের কাজীপাড়ার ‘মঞ্জু টেক্সটাইল অ্যান্ড ডাইং’ কারখানায় হয়তো কেউ তখন চা খাচ্ছিলেন, কেউবা মেশিন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই কেঁপে উঠল পুরো ভবন—এক বিকট বিস্ফোরণ। মুহূর্তেই গ্যাস কন্ট্রোল রুম থেকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন।
অন্তত তিনজন তখন আগুনের ভেতরেই আটকে পড়েন—সিনিয়র অফিসার সাইফুল ইসলাম (২৫), নিরাপত্তা কর্মী আব্দুল হান্নান (৫২) এবং কবির হোসেন (৪৫)। আগুন শুধু পোড়ায়নি তাদের শরীর, পুড়িয়ে দিয়েছে স্বপ্ন, পরিবার আর ভবিষ্যতের শান্তিও।
তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনজনেরই দেহের বড় একটি অংশ আগুনে দগ্ধ হয়েছে।
শিল্পাঞ্চল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ থেকেই এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত। এ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন—একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত গ্যাস লাইন পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কীভাবে এড়িয়ে গেল?
শুধু সাইফুল, হান্নান বা কবির নয়—প্রতিটি শ্রমিকের জীবন এখন প্রশ্নবিদ্ধ, যদি নিরাপত্তা না থাকে এই সব শিল্প কারখানায়। আগুন নিভবে, কারখানাও হয়তো আবার চালু হবে, কিন্তু যাদের শরীর ও মন পুড়ে ছাই হলো, তাদের জীবনে কি আবারও আলো ফিরবে?

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে,দগ্ধ ৩

আপডেট : ০২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

সকালের ব্যস্ততা তখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। রূপগঞ্জের কাজীপাড়ার ‘মঞ্জু টেক্সটাইল অ্যান্ড ডাইং’ কারখানায় হয়তো কেউ তখন চা খাচ্ছিলেন, কেউবা মেশিন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই কেঁপে উঠল পুরো ভবন—এক বিকট বিস্ফোরণ। মুহূর্তেই গ্যাস কন্ট্রোল রুম থেকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন।
অন্তত তিনজন তখন আগুনের ভেতরেই আটকে পড়েন—সিনিয়র অফিসার সাইফুল ইসলাম (২৫), নিরাপত্তা কর্মী আব্দুল হান্নান (৫২) এবং কবির হোসেন (৪৫)। আগুন শুধু পোড়ায়নি তাদের শরীর, পুড়িয়ে দিয়েছে স্বপ্ন, পরিবার আর ভবিষ্যতের শান্তিও।
তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনজনেরই দেহের বড় একটি অংশ আগুনে দগ্ধ হয়েছে।
শিল্পাঞ্চল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস লাইনের রাইজারে লিকেজ থেকেই এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত। এ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন—একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত গ্যাস লাইন পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কীভাবে এড়িয়ে গেল?
শুধু সাইফুল, হান্নান বা কবির নয়—প্রতিটি শ্রমিকের জীবন এখন প্রশ্নবিদ্ধ, যদি নিরাপত্তা না থাকে এই সব শিল্প কারখানায়। আগুন নিভবে, কারখানাও হয়তো আবার চালু হবে, কিন্তু যাদের শরীর ও মন পুড়ে ছাই হলো, তাদের জীবনে কি আবারও আলো ফিরবে?