ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে হিন্দু যুবকের সঙ্গে মুসলিম নারীর পরকীয়া: প্রবাসীর সঞ্চয়-সংসার সব শেষ

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:২৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • 39

 

 

স্বামী প্রবাসে, পরিবারের সুখ-শান্তির আশায় বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রমে দিন কাটাচ্ছেন। আর দেশের মাটিতে স্ত্রী পরকীয়ার ঘোরে হারিয়ে, সংসার ও সন্তান ভুলে কাটাচ্ছেন আনন্দ-উল্লাসে। এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীর স্ত্রী আকলিমা আক্তার (২৫) হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এ সময় তার পরিচয় হয় ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিধুবা গ্রামের গনেশ চন্দ্রের ছেলে রনজিত চন্দ্র দাসের (৩০) সঙ্গে, যিনি হাজীগঞ্জ বাজারস্থ আলো ফার্মেসীর একজন পল্লী চিকিৎসক। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে প্রেমিক রনজিতের সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কেও লিপ্ত হন আকলিমা।

জানা যায়, ৯ বছর পূর্বে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামের মো. বারেকের মেয়ে আকলিমার সঙ্গে মো. মোস্তফা নামের এক প্রবাসীর বিবাহ হয়। তাদের সংসারে এক মেয়ে সুমাইয়া (৮) ও এক ছেলে আল-আলিন (৫) রয়েছে। সংসার জীবনে ভালো থাকলেও, প্রবাসে অবস্থানকালে স্ত্রী আকলিমার আচরণে সন্দেহ হয় মোস্তফার। পরে চাপ প্রয়োগে স্ত্রী স্বীকার করেন, রনজিতের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে আকলিমা প্রবাসী স্বামী মোস্তফাকে তালাক না দিতে হুমকি দিতে থাকেন এবং একপর্যায়ে নগদ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় সন্তানদের হত্যা করারও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা।

এ বিষয়ে প্রবাসী মোস্তফার পরিবার জানায়, তারা বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে আকলিমার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

প্রেমিক রনজিত চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের কাছে পরকীয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “আমার ভুল হয়েছে, আমি অনুতপ্ত। আমাকে ক্ষমা করে দিন।”

অন্যদিকে আকলিমা আক্তার সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তার মা জানান, আকলিমা বর্তমানে বাড়িতে নেই।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, “আমরা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জে হিন্দু যুবকের সঙ্গে মুসলিম নারীর পরকীয়া: প্রবাসীর সঞ্চয়-সংসার সব শেষ

আপডেট : ০৮:২৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

 

 

স্বামী প্রবাসে, পরিবারের সুখ-শান্তির আশায় বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রমে দিন কাটাচ্ছেন। আর দেশের মাটিতে স্ত্রী পরকীয়ার ঘোরে হারিয়ে, সংসার ও সন্তান ভুলে কাটাচ্ছেন আনন্দ-উল্লাসে। এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীর স্ত্রী আকলিমা আক্তার (২৫) হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এ সময় তার পরিচয় হয় ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিধুবা গ্রামের গনেশ চন্দ্রের ছেলে রনজিত চন্দ্র দাসের (৩০) সঙ্গে, যিনি হাজীগঞ্জ বাজারস্থ আলো ফার্মেসীর একজন পল্লী চিকিৎসক। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে প্রেমিক রনজিতের সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কেও লিপ্ত হন আকলিমা।

জানা যায়, ৯ বছর পূর্বে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামের মো. বারেকের মেয়ে আকলিমার সঙ্গে মো. মোস্তফা নামের এক প্রবাসীর বিবাহ হয়। তাদের সংসারে এক মেয়ে সুমাইয়া (৮) ও এক ছেলে আল-আলিন (৫) রয়েছে। সংসার জীবনে ভালো থাকলেও, প্রবাসে অবস্থানকালে স্ত্রী আকলিমার আচরণে সন্দেহ হয় মোস্তফার। পরে চাপ প্রয়োগে স্ত্রী স্বীকার করেন, রনজিতের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে আকলিমা প্রবাসী স্বামী মোস্তফাকে তালাক না দিতে হুমকি দিতে থাকেন এবং একপর্যায়ে নগদ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় সন্তানদের হত্যা করারও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা।

এ বিষয়ে প্রবাসী মোস্তফার পরিবার জানায়, তারা বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে আকলিমার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

প্রেমিক রনজিত চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের কাছে পরকীয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “আমার ভুল হয়েছে, আমি অনুতপ্ত। আমাকে ক্ষমা করে দিন।”

অন্যদিকে আকলিমা আক্তার সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তার মা জানান, আকলিমা বর্তমানে বাড়িতে নেই।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, “আমরা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”