চৌদ্দগ্রামের চিওড়া ইউনিয়নে জন্মসনদ যেন চাইলেই মেলে—যার প্রমাণ মিলেছে দুই রোহিঙ্গা নারীর হাতে সরকারি কাগজ পৌঁছানোর ঘটনায়। এবার সেই দায় গিয়ে ঠেকেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তাহেরের কাঁধে। রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ ইস্যু এবং নিজের ইউজার আইডি-পাসওয়ার্ড অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এই বরখাস্তের আদেশ আসে গত ২৯ এপ্রিল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ইউপি-১ শাখার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং সচেতনতার অভাব প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ১১ জুন, যখন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিয়েতনাম যাওয়ার সময় ধরা পড়েন হুমায়রা ও শারমিন আক্তার নামে দুই রোহিঙ্গা নারী। তাদের হাতে থাকা বৈধ জন্মনিবন্ধনের উৎস খুঁজতেই বেরিয়ে আসে চিওড়া ইউনিয়ন পরিষদের নাম। এরপর মামলা, তদন্ত ও গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ঘটনাটি পৌঁছায় জাতীয় পর্যায়ের নজরদারিতে।
এই ঘটনা শুধু একটি ইউনিয়নের সীমাবদ্ধতা নয়—বরং প্রশ্ন তোলে জাতীয় নিরাপত্তা, পরিচয় ব্যবস্থার ফাঁকফোকর এবং স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়েও।




















