ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসি শেষ দিনে চমক: নারায়ণগঞ্জে পরীক্ষার্থীদের চকলেট উপহার জেলা প্রশাসকের

এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষা শেষের দিনে নারায়ণগঞ্জে দেখা গেল এক অনন্য আয়োজন। জেলার ৪৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৩,১৮২ জন পরীক্ষার্থীকে চকলেট উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

শুধু নির্দেশনাই নয়—জেলা প্রশাসক নিজেই উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক এডুকেশনাল ট্রাস্ট (আই.ই.টি) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। সেখানে তিনি পরীক্ষার্থীদের হাতে চকলেট তুলে দেন, খোঁজখবর নেন তাদের অনুভূতির, আর জানান মধুর শুভকামনা। শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায় শেষ করার আনন্দে যুক্ত হয় এক চকলেটের মিষ্টতা।

উপহার শুধু একটি প্রতীক—তবে এর পেছনের বার্তাটি ছিল স্পষ্ট: “আমরা তোমাদের পাশে আছি।”

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), সদর উপজেলার ইউএনও, কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“তোমাদের কষ্ট, অধ্যবসায় এবং আত্মত্যাগ আজকের এই দিনটিকে অর্থবহ করে তুলেছে। এই ছোট্ট উপহার হয়তো বড় কিছু নয়, তবে এটুকুই আমাদের ভালোবাসা, শুভকামনার প্রতীক।”

এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে দেখা দেয় প্রশংসার জোয়ার। অনেকেই বলেন,
“শুধু প্রশাসনের প্রতিনিধি নয়, জেলা প্রশাসক যেন আমাদের একজন অভিভাবকের মতো হয়ে উঠেছেন।”

এই আয়োজনে তৈরি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ, যা পরীক্ষার্থীদের চেহারায় এনে দেয় হাসি। পাশাপাশি এটি প্রমাণ করে—প্রশাসনের মানবিক দিক কতটা শিক্ষাবান্ধব ও উদ্বুদ্ধমূলক হতে পারে।


ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরাস্তিতে সপ্তাহব্যাপী জ’লাতঙ্ক রোগ নির্মূলে কুকুরের জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

এসএসসি শেষ দিনে চমক: নারায়ণগঞ্জে পরীক্ষার্থীদের চকলেট উপহার জেলা প্রশাসকের

আপডেট : ০৫:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষা শেষের দিনে নারায়ণগঞ্জে দেখা গেল এক অনন্য আয়োজন। জেলার ৪৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৩,১৮২ জন পরীক্ষার্থীকে চকলেট উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

শুধু নির্দেশনাই নয়—জেলা প্রশাসক নিজেই উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক এডুকেশনাল ট্রাস্ট (আই.ই.টি) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। সেখানে তিনি পরীক্ষার্থীদের হাতে চকলেট তুলে দেন, খোঁজখবর নেন তাদের অনুভূতির, আর জানান মধুর শুভকামনা। শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায় শেষ করার আনন্দে যুক্ত হয় এক চকলেটের মিষ্টতা।

উপহার শুধু একটি প্রতীক—তবে এর পেছনের বার্তাটি ছিল স্পষ্ট: “আমরা তোমাদের পাশে আছি।”

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), সদর উপজেলার ইউএনও, কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“তোমাদের কষ্ট, অধ্যবসায় এবং আত্মত্যাগ আজকের এই দিনটিকে অর্থবহ করে তুলেছে। এই ছোট্ট উপহার হয়তো বড় কিছু নয়, তবে এটুকুই আমাদের ভালোবাসা, শুভকামনার প্রতীক।”

এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে দেখা দেয় প্রশংসার জোয়ার। অনেকেই বলেন,
“শুধু প্রশাসনের প্রতিনিধি নয়, জেলা প্রশাসক যেন আমাদের একজন অভিভাবকের মতো হয়ে উঠেছেন।”

এই আয়োজনে তৈরি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ, যা পরীক্ষার্থীদের চেহারায় এনে দেয় হাসি। পাশাপাশি এটি প্রমাণ করে—প্রশাসনের মানবিক দিক কতটা শিক্ষাবান্ধব ও উদ্বুদ্ধমূলক হতে পারে।