ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপিও বাতিল, ইনডেক্স কর্তন, টাকা ফেরতের নির্দেশ—তারপরও ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ মোশাররফ!

  • রিয়াজ শাওন:
  • আপডেট : ১১:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • 49

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাও. মো. মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক (মাদ্রাসা)’ নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে তাঁর এই স্বীকৃতির বিপরীতে এমপিওভুক্তি নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সরকারি নথিতে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন ও অসঙ্গতির তথ্য। ওই নথিতে তাঁর এমপিও আবেদন বাতিল, ইনডেক্স কর্তন এবং তাঁর নামে সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার ৪ মে ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে মো. মোশাররফ হোসাইনের এমপিও সংক্রান্ত বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। চিঠিতে তাঁর ইনডেক্স নম্বর ২১১৩৩১৮ উল্লেখ করে ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসায় মুহাদ্দিস পদে তাঁর এমপিওভুক্তির বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোশাররফ হোসাইন ২০২৪ সালে ওই মাদ্রাসায় মুহাদ্দিস পদে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করলে কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকার কারণ দেখিয়ে তাঁর আবেদন বাতিল করা হয়। পরে তিনি পুনরায় আবেদন করলেও সেটিও বাতিল হয়। এরপর পুনঃনিয়োগের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে অনুমোদন দেওয়া হলেও বিষয়টি পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁর এমপিওভুক্তির বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই চিঠিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালার আলোকে বলা হয়, মুহাদ্দিস (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদে মো. মোশাররফ হোসাইনের এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই। এ কারণে তাঁর এমপিও আবেদন বাতিল এবং অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁর ইনডেক্স কর্তনের কথা জানানো হয়।

 

চিঠিতে আরও বলা হয়, এমপিওভুক্তির সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও তাঁর নামে সরকারি কোষাগার থেকে কোনো অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

অর্থাৎ, সরকারি নথিতে বিষয়টি শুধু এমপিও আবেদন বাতিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। একই সঙ্গে ইনডেক্স কর্তন এবং সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা ফেরতের নির্দেশনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে এর কয়েক মাস পরই বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মো. মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক (মাদ্রাসা)’ নির্বাচিত করার তথ্য প্রকাশ্যে আসে। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এসব প্রতিবেদনে তাঁকে ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি, সহজ-সাবলীল পাঠদান, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং গবেষণায় অবদানের জন্য তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে তাঁর এমফিল ডিগ্রি ও পিএইচডি গবেষণার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

 

একদিকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ হিসেবে স্বীকৃতি, অন্যদিকে কয়েক মাস আগেই এমপিওভুক্তি নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি নথিতে তাঁর পদে এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই বলে উল্লেখ—দুই বিষয়কে ঘিরেই এখন প্রশ্ন উঠেছে।

 

বিশেষ করে প্রশ্ন হচ্ছে, যে ব্যক্তির এমপিও আবেদন বাতিল, ইনডেক্স কর্তনের সিদ্ধান্ত এবং সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁকে কোন প্রক্রিয়া ও কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত করা হলো?

 

গুণী শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাঁর নিয়োগ, পদ, যোগ্যতা, এমপিও-সংক্রান্ত অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি যাচাই করা হয়ে থাকে, তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই সিদ্ধান্ত নির্বাচক কমিটির নজরে এসেছিল কি না—সেটিও স্পষ্ট নয়।

 

এ বিষয়ে মো. মোশাররফ হোসাইনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এই শেষ দিন ঢাকা গিয়ে জমা দিয়েছি। আর আমার এমপিও তো যেভাবেই হোক তারা ক্যানসেল করছে বা তারা একটা চিঠি করাইছে, পরে আমি সেটাকে আবার ঠিক করছি। আমার ইনডেক্স নম্বর আছে।”

 

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ বলেন, “তার নাম আমরা পাঠাইনি। আমাদের তালিকায় তার নাম নেই। তিনি কিভাবে হলেন, আমরা জানি না।”

 

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, “এই মনোনয়ন আমাদের এখান থেকে যায়নি।”

 

এখন মূল প্রশ্ন—মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ নির্বাচনের সময় তাঁর এমপিও-সংক্রান্ত সরকারি নথি ও সিদ্ধান্ত যাচাই করা হয়েছিল কি না। আর যদি যাচাই করা হয়ে থাকে, তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ৪ মে ২০২৬ তারিখের ওই সিদ্ধান্তের পরও কীভাবে তিনি জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতির জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেন—তার ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া জরুরি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা শাহিদুল ইসলাম

এমপিও বাতিল, ইনডেক্স কর্তন, টাকা ফেরতের নির্দেশ—তারপরও ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ মোশাররফ!

আপডেট : ১১:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাও. মো. মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক (মাদ্রাসা)’ নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে তাঁর এই স্বীকৃতির বিপরীতে এমপিওভুক্তি নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সরকারি নথিতে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন ও অসঙ্গতির তথ্য। ওই নথিতে তাঁর এমপিও আবেদন বাতিল, ইনডেক্স কর্তন এবং তাঁর নামে সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার ৪ মে ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে মো. মোশাররফ হোসাইনের এমপিও সংক্রান্ত বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। চিঠিতে তাঁর ইনডেক্স নম্বর ২১১৩৩১৮ উল্লেখ করে ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসায় মুহাদ্দিস পদে তাঁর এমপিওভুক্তির বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোশাররফ হোসাইন ২০২৪ সালে ওই মাদ্রাসায় মুহাদ্দিস পদে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করলে কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকার কারণ দেখিয়ে তাঁর আবেদন বাতিল করা হয়। পরে তিনি পুনরায় আবেদন করলেও সেটিও বাতিল হয়। এরপর পুনঃনিয়োগের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে অনুমোদন দেওয়া হলেও বিষয়টি পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁর এমপিওভুক্তির বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই চিঠিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালার আলোকে বলা হয়, মুহাদ্দিস (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদে মো. মোশাররফ হোসাইনের এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই। এ কারণে তাঁর এমপিও আবেদন বাতিল এবং অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁর ইনডেক্স কর্তনের কথা জানানো হয়।

 

চিঠিতে আরও বলা হয়, এমপিওভুক্তির সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও তাঁর নামে সরকারি কোষাগার থেকে কোনো অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

অর্থাৎ, সরকারি নথিতে বিষয়টি শুধু এমপিও আবেদন বাতিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। একই সঙ্গে ইনডেক্স কর্তন এবং সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা ফেরতের নির্দেশনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে এর কয়েক মাস পরই বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মো. মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক (মাদ্রাসা)’ নির্বাচিত করার তথ্য প্রকাশ্যে আসে। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এসব প্রতিবেদনে তাঁকে ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ সৃষ্টি, সহজ-সাবলীল পাঠদান, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং গবেষণায় অবদানের জন্য তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে তাঁর এমফিল ডিগ্রি ও পিএইচডি গবেষণার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

 

একদিকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ হিসেবে স্বীকৃতি, অন্যদিকে কয়েক মাস আগেই এমপিওভুক্তি নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি নথিতে তাঁর পদে এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই বলে উল্লেখ—দুই বিষয়কে ঘিরেই এখন প্রশ্ন উঠেছে।

 

বিশেষ করে প্রশ্ন হচ্ছে, যে ব্যক্তির এমপিও আবেদন বাতিল, ইনডেক্স কর্তনের সিদ্ধান্ত এবং সরকারি অর্থ উত্তোলন হয়ে থাকলে তা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁকে কোন প্রক্রিয়া ও কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত করা হলো?

 

গুণী শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাঁর নিয়োগ, পদ, যোগ্যতা, এমপিও-সংক্রান্ত অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি যাচাই করা হয়ে থাকে, তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই সিদ্ধান্ত নির্বাচক কমিটির নজরে এসেছিল কি না—সেটিও স্পষ্ট নয়।

 

এ বিষয়ে মো. মোশাররফ হোসাইনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এই শেষ দিন ঢাকা গিয়ে জমা দিয়েছি। আর আমার এমপিও তো যেভাবেই হোক তারা ক্যানসেল করছে বা তারা একটা চিঠি করাইছে, পরে আমি সেটাকে আবার ঠিক করছি। আমার ইনডেক্স নম্বর আছে।”

 

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ বলেন, “তার নাম আমরা পাঠাইনি। আমাদের তালিকায় তার নাম নেই। তিনি কিভাবে হলেন, আমরা জানি না।”

 

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, “এই মনোনয়ন আমাদের এখান থেকে যায়নি।”

 

এখন মূল প্রশ্ন—মোশাররফ হোসাইনকে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ নির্বাচনের সময় তাঁর এমপিও-সংক্রান্ত সরকারি নথি ও সিদ্ধান্ত যাচাই করা হয়েছিল কি না। আর যদি যাচাই করা হয়ে থাকে, তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ৪ মে ২০২৬ তারিখের ওই সিদ্ধান্তের পরও কীভাবে তিনি জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতির জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেন—তার ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া জরুরি।