ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি একজন বিশিষ্ট আলেম, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক। বর্তমানে চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং সামাজিক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে তিনি স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

জানা গেছে, তাঁর নেতৃত্বে মাদরাসা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, অসহায়-দরিদ্র মানুষের সহায়তা ও নৈতিক সমাজ গঠনে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে তরুণ ভোটারসহ সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “অধ্যাপক সাহেব শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি আমাদের পরিবারের একজন অভিভাবকের মতো। এমন মানুষই আমাদের এলাকার উন্নয়নে সত্যিকারের ভূমিকা রাখতে পারবেন।”

স্থানীয় একাধিক জরিপে দেখা গেছে, চাঁদপুর-৫ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অধ্যাপক আবুল হোসাইন এগিয়ে রয়েছেন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে। তিনি সদালাপী, নীতিবান ও জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো একজন জননেতা হিসেবে পরিচিত।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক আবুল হোসাইন এক ইতিবাচক রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, যা তাঁকে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা করেছে।

রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও উপজেলা শূরা সদস্য মাওলানা মাছুম বিল্লাহ জানান,
“আমরা শুধু সাংগঠনিক কাজেই সীমাবদ্ধ থাকছি না, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্থানীয় বা জাতীয়, যেই নির্বাচন আগে হোক না কেন, আমরা প্রস্তুত আছি।”

শাহরাস্তি উপজেলা জামায়াতের নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট ব্যাংকার বাদশা ফয়সাল বলেন,
“আমরা ইতোমধ্যে উপজেলার প্রতিটি কেন্দ্রে কমিটি গঠন করেছি এবং নিয়মিত নির্বাচনী বৈঠক করছি। মাঠপর্যায়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।”

হাজীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক ছাত্রনেতা জয়নাল আবেদীন জানান,
“শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতের শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যানরা বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছিলেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনেও আমরা আশাবাদী।”

অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন বলেন,
“জামায়াতে ইসলামীর কাঠামোয় কেউ নিজে থেকে প্রার্থী হতে পারেন না। দল যাকে মনোনীত করে, তাকেই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রস্তুত না থাকলেও দলের সিদ্ধান্ত মেনে আমি কাজ করছি। বর্তমানে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির প্রতিটি গ্রাম ও পাড়ায় পাড়ায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের কথা শুনছি, এবং ইনশাআল্লাহ, যদি নির্বাচিত হতে পারি, তবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

এখন শুধু অপেক্ষা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। দেখা যাক, মাঠপর্যায়ে অধ্যাপক আবুল হোসাইনের জনপ্রিয়তা কতটা প্রতিফলিত হয় ভোটের বাক্সে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন

আপডেট : ০৬:০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি একজন বিশিষ্ট আলেম, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক। বর্তমানে চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং সামাজিক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে তিনি স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

জানা গেছে, তাঁর নেতৃত্বে মাদরাসা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, অসহায়-দরিদ্র মানুষের সহায়তা ও নৈতিক সমাজ গঠনে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে তরুণ ভোটারসহ সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “অধ্যাপক সাহেব শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি আমাদের পরিবারের একজন অভিভাবকের মতো। এমন মানুষই আমাদের এলাকার উন্নয়নে সত্যিকারের ভূমিকা রাখতে পারবেন।”

স্থানীয় একাধিক জরিপে দেখা গেছে, চাঁদপুর-৫ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অধ্যাপক আবুল হোসাইন এগিয়ে রয়েছেন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে। তিনি সদালাপী, নীতিবান ও জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো একজন জননেতা হিসেবে পরিচিত।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে অধ্যাপক আবুল হোসাইন এক ইতিবাচক রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, যা তাঁকে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে আলাদা করেছে।

রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও উপজেলা শূরা সদস্য মাওলানা মাছুম বিল্লাহ জানান,
“আমরা শুধু সাংগঠনিক কাজেই সীমাবদ্ধ থাকছি না, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্থানীয় বা জাতীয়, যেই নির্বাচন আগে হোক না কেন, আমরা প্রস্তুত আছি।”

শাহরাস্তি উপজেলা জামায়াতের নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট ব্যাংকার বাদশা ফয়সাল বলেন,
“আমরা ইতোমধ্যে উপজেলার প্রতিটি কেন্দ্রে কমিটি গঠন করেছি এবং নিয়মিত নির্বাচনী বৈঠক করছি। মাঠপর্যায়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।”

হাজীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক ছাত্রনেতা জয়নাল আবেদীন জানান,
“শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতের শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যানরা বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছিলেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনেও আমরা আশাবাদী।”

অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন বলেন,
“জামায়াতে ইসলামীর কাঠামোয় কেউ নিজে থেকে প্রার্থী হতে পারেন না। দল যাকে মনোনীত করে, তাকেই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রস্তুত না থাকলেও দলের সিদ্ধান্ত মেনে আমি কাজ করছি। বর্তমানে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির প্রতিটি গ্রাম ও পাড়ায় পাড়ায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের কথা শুনছি, এবং ইনশাআল্লাহ, যদি নির্বাচিত হতে পারি, তবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

এখন শুধু অপেক্ষা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। দেখা যাক, মাঠপর্যায়ে অধ্যাপক আবুল হোসাইনের জনপ্রিয়তা কতটা প্রতিফলিত হয় ভোটের বাক্সে।