ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে ডিসির হাতে দুধ পান করল শিশুরা, উদযাপিত হলো বিশ্ব দুগ্ধ দিবস

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আজ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনসাধারণের মধ্যে পুষ্টি ও দুধের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হয় এক মতবিনিময় সভা, যেখানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, “সুস্থ জাতি গঠনে পুষ্টিকর খাদ্য যেমন দুধের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে শিশুদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ থাকা উচিত।”
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ) মোঃ আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আঃ মান্নান মিয়া। তারা বলেন, শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব অপরিসীম।
অনুষ্ঠানে জেলার দুগ্ধ উৎপাদন ও ভোগ নিয়ে একটি গ্রাফিকাল উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়, যা উপস্থিতিদের মাঝে আলোচনার খোরাক জোগায়। উপস্থাপনায় জেলার দুধ উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা, ভোগ পরিমাণ ও চাহিদার ব্যবধান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিশুদের হাতে দুধের গ্লাস তুলে দেওয়া। জেলা প্রশাসক নিজ হাতে শিশুদের দুধ পান করিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। তিনি বলেন, “শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হয়, যাতে জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বিজয়ীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন জেলা প্রশাসক, পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সব শিশুদের উৎসাহিত করা হয়।
এই আয়োজন নারায়ণগঞ্জে শিশুর পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের গুরুত্ব বোঝাতে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

নারায়ণগঞ্জে ডিসির হাতে দুধ পান করল শিশুরা, উদযাপিত হলো বিশ্ব দুগ্ধ দিবস

আপডেট : ০৮:০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আজ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনসাধারণের মধ্যে পুষ্টি ও দুধের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হয় এক মতবিনিময় সভা, যেখানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, “সুস্থ জাতি গঠনে পুষ্টিকর খাদ্য যেমন দুধের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে শিশুদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ থাকা উচিত।”
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ) মোঃ আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আঃ মান্নান মিয়া। তারা বলেন, শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব অপরিসীম।
অনুষ্ঠানে জেলার দুগ্ধ উৎপাদন ও ভোগ নিয়ে একটি গ্রাফিকাল উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়, যা উপস্থিতিদের মাঝে আলোচনার খোরাক জোগায়। উপস্থাপনায় জেলার দুধ উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা, ভোগ পরিমাণ ও চাহিদার ব্যবধান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিশুদের হাতে দুধের গ্লাস তুলে দেওয়া। জেলা প্রশাসক নিজ হাতে শিশুদের দুধ পান করিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। তিনি বলেন, “শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হয়, যাতে জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বিজয়ীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন জেলা প্রশাসক, পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সব শিশুদের উৎসাহিত করা হয়।
এই আয়োজন নারায়ণগঞ্জে শিশুর পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের গুরুত্ব বোঝাতে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।