দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে অবস্থিত ভাসমান টার্মিনাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ থাকায় চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।
বিশেষ করে চাঁদপুর জেলার জন্য সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, কারণ জেলার একমাত্র গ্যাসের উৎস হচ্ছে মহেশখালীর টার্মিনাল থেকে আমদানি করা এলএনজি। এই গ্যাস কুমিল্লার লাকসামের বিজরা হয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে চাঁদপুরে সরবরাহ করা হয়। তবে সাগর উত্তাল এবং প্রাকৃতিক বৈরী আবহাওয়ার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে টার্মিনাল ও জাহাজ থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এতে করে চাঁদপুর জেলার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পাঁচটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং প্রায় ২০ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক গ্যাস সংকটে পড়েছেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর আঞ্চলিক বিতরণ কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী মীর ফজলে রাব্বী জানান, “প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মহেশখালী টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খুব দ্রুত গ্যাস সরবরাহ আবারও স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় এই সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার গ্যাস সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে।



















