বুধবার ২ জুলাই বেলা ১২টায় বগুড়ার সোনাতলায় বিশ্বনাথপুর গ্রামে আড়িয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়, যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাঙালি নদী থেকে বালু উত্তোলনের অবৈধ ৭টি ড্রেজার মেশিন আগুনে পুড়ে বিকল করে দেয়া হয়েছে। এবং একটি এস্কেভেটর (ভেকু) জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকৃতি প্রামানিক , এ সময় সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিলাদুন নবী, এসআই শামীমসহ সঙ্গীয় ফোর্স ও সেনাবাহিনীর অফিসার আরারফাত রহমান, আবু নছর ও সেনাবাহিনী সদস্যবৃন্দ অভিযানে অংশ নেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে, বালু মহল ও মাটির ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(গ) ও ১৫ (১) ধারায় সাত জনকে ১ মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা করেন।
কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার শালিখা গ্রামের রজব আলীর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৫২), সাঘাটা উপজেলার বাজিতনগর গ্রামের আলতাব আলীর ছেলে তনু (১৮), উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের ফরিদ আকন্দের ছেলে জাকিরুল ইসলাম (২৮), গাবতলি উপজেলার কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের ফুলমিয়ার ছেলে আব্দুল মমিন(২২), বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৃত দবির উদ্দিনের ছেলে শাহ আলম(৩৫) শালিখা গ্রামের চাঁদ মিয়ার ছেলে শাহ আলম (৩৫), সাঘাটা উপজেলার পুর্ব কামারপাড়া গ্রামের অক্ষব আলীর ছেলে মোনজার রহমান (৪০)।
জমির মালিকেরা ও স্থানীয়রা জানান, অবৈধভাবে ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে, নদীভাঙন দেখা দিচ্ছে, কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে এবং নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা নিষেধ করলে বালু ব্যবসায়ীরা আমাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়।
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে স্বীকৃতি প্রামানিক বলেন, নদী আমাদের প্রাণ ও সম্পদ। কেউ প্রভাব খাটিয়ে নদী ও পরিবেশ ধ্বংস করতে পারবে না। আজকের অভিযান একটি সতর্কবার্তা। যারা এখনো অবৈধ বালু উত্তোলনে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। জনগণের সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




















