ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের বি”ষধর সাপের ছোবলে বৃদ্ধার ম”র্মা’ন্তিক মৃ*ত্যু

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার কল্যাণপুরে বর্ষার এক শান্ত সকালের দৃশ্য হঠাৎই কাল হয়ে দাঁড়াল এক বৃদ্ধার জীবনে। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে বাড়ির পাশের জমিতে কচুর লতি তুলতে গিয়ে বিষধর সাপের ছোবলে মৃত্যুবরণ করেন মনোয়ারা বেগম (৭০)।

তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৩নং কল্যাণপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল আজিজ গাজীর স্ত্রী।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে মনোয়ারা বেগম বাড়ির সীমানার কাছে কবরস্থান-সংলগ্ন একটি নিচু জমিতে কচুর লতি তুলছিলেন। এ সময় ঝোপঝাড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর সাপ হঠাৎ তাকে দংশন করে। তীব্র বিষক্রিয়ার শিকার হয়ে তিনি দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন এবং সন্তানদের জানান।

পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, মনোয়ারা বেগম ছিলেন সহজ-সরল ও পরহেজগার একজন নারী। তার এভাবে চলে যাওয়া পরিবার ও গ্রামবাসীর জন্য বড় এক শোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষায় এলাকায় সাপের উপদ্রব বাড়ে, কিন্তু সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। তাঁরা সাপদংশন প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সাপে দংশনের পর প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। দেরি হলে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এজন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের মাঝে সাপে কাটার পর করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

সাম্প্রতিক এ দুর্ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল—প্রাকৃতিক বিপদ এড়াতে শুধু নিয়তি নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও প্রস্তুতি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

চাঁদপুরের বি”ষধর সাপের ছোবলে বৃদ্ধার ম”র্মা’ন্তিক মৃ*ত্যু

আপডেট : ১০:২৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার কল্যাণপুরে বর্ষার এক শান্ত সকালের দৃশ্য হঠাৎই কাল হয়ে দাঁড়াল এক বৃদ্ধার জীবনে। শনিবার (৫ জুলাই) সকালে বাড়ির পাশের জমিতে কচুর লতি তুলতে গিয়ে বিষধর সাপের ছোবলে মৃত্যুবরণ করেন মনোয়ারা বেগম (৭০)।

তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৩নং কল্যাণপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল আজিজ গাজীর স্ত্রী।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে মনোয়ারা বেগম বাড়ির সীমানার কাছে কবরস্থান-সংলগ্ন একটি নিচু জমিতে কচুর লতি তুলছিলেন। এ সময় ঝোপঝাড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর সাপ হঠাৎ তাকে দংশন করে। তীব্র বিষক্রিয়ার শিকার হয়ে তিনি দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন এবং সন্তানদের জানান।

পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, মনোয়ারা বেগম ছিলেন সহজ-সরল ও পরহেজগার একজন নারী। তার এভাবে চলে যাওয়া পরিবার ও গ্রামবাসীর জন্য বড় এক শোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষায় এলাকায় সাপের উপদ্রব বাড়ে, কিন্তু সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। তাঁরা সাপদংশন প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সাপে দংশনের পর প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। দেরি হলে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এজন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের মাঝে সাপে কাটার পর করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

সাম্প্রতিক এ দুর্ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল—প্রাকৃতিক বিপদ এড়াতে শুধু নিয়তি নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও প্রস্তুতি।