ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে তালাবদ্ধ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনরায় চালু: যৌথ বাহিনীর তৎপরতায় জনগণ পেল স্বস্তি

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৩৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • 56

 

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বন্ধ হয়ে থাকা একটি সরকারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পুনরায় চালু করেছে যৌথ বাহিনী ও প্রশাসন। ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ৫ নম্বর গুপ্তি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী, যার নেতৃত্বে ছিলেন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা। তাদের সাথে ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে স্থাপিত এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কিছু দুস্কৃতিকারীর দ্বারা অবৈধভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।

অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা জানান, উক্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয় জনগণ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছিল। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্করা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন সবচেয়ে বেশি।

অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে যৌথ বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি দল তালাবদ্ধ কেন্দ্রের তালা অপসারণ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুনরায় চালু করে দেয়। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির ভেতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সরঞ্জামাদি ও নিরাপত্তা বিষয়েও তাৎক্ষণিক পরিদর্শন ও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আজকে আবার এটি চালু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি।”

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন জনসেবা বন্ধ করে দেওয়ার ধৃষ্টতা না দেখায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি কেন্দ্রটির স্বাস্থ্যসেবা যেন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তারা।

উল্লেখ্য, সরকারি উদ্যোগে স্থাপিত এসব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভিত্তি। এসব কেন্দ্র বন্ধ থাকলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রমে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটে। তাই এ অভিযানকে স্থানীয়রা একটি সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে তালাবদ্ধ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনরায় চালু: যৌথ বাহিনীর তৎপরতায় জনগণ পেল স্বস্তি

আপডেট : ১১:৩৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বন্ধ হয়ে থাকা একটি সরকারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পুনরায় চালু করেছে যৌথ বাহিনী ও প্রশাসন। ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ৫ নম্বর গুপ্তি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী, যার নেতৃত্বে ছিলেন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা। তাদের সাথে ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে স্থাপিত এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কিছু দুস্কৃতিকারীর দ্বারা অবৈধভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।

অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা জানান, উক্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয় জনগণ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছিল। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্করা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন সবচেয়ে বেশি।

অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে যৌথ বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি দল তালাবদ্ধ কেন্দ্রের তালা অপসারণ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুনরায় চালু করে দেয়। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির ভেতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সরঞ্জামাদি ও নিরাপত্তা বিষয়েও তাৎক্ষণিক পরিদর্শন ও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আজকে আবার এটি চালু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি।”

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন জনসেবা বন্ধ করে দেওয়ার ধৃষ্টতা না দেখায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি কেন্দ্রটির স্বাস্থ্যসেবা যেন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তারা।

উল্লেখ্য, সরকারি উদ্যোগে স্থাপিত এসব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভিত্তি। এসব কেন্দ্র বন্ধ থাকলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রমে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটে। তাই এ অভিযানকে স্থানীয়রা একটি সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।