ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ার সোনাতলায় নকল বিড়ি, সিগারেট ও গুল তৈরির কারখানায় সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান:  আটক – ৪

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • 102

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকড়িয়া গ্রামে অবৈধভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যান্ডের  নকল বিড়ি, সিগারেট ও গুল তৈরির কারখানায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি,  সিগারেট ও গুল,  এসব পণ্যের তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করার পাশাপাশি ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) দিবাগত  রাত ১২ টার সময়  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সারিয়াকান্দি ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন আরাফাত এবং সোনাতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের মূল কেন্দ্র ছিল উত্তর আটকড়িয়া গ্রামের মৃত বাবু মোল্লার ছেলে মো. মাহমুদ এবং মোমিন মিয়ার বসতবাড়িতে স্থাপিত অবৈধ কারখানা দুটি।
অভিযানে কারখানা থেকে নকল বিড়ি সিগারেট তৈরির কাঁচামাল ও  গুল তৈরির উপাদান, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য, মোড়কজাত করার উপকরণ, নকল ব্যান্ডরোল এবং সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এসময় তিন শ্রমিককে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: তুষার মিয়া (১৯) পিতা মৃত লাল মিয়া, গ্রাম কামদেব, গঙ্গাচড়া, রংপুর
নাঈম ইসলাম (২৮) পিতা মৃত খায়রুল ইসলাম, গ্রাম জাগরণ পাড়া, হারাগাছ, রংপুর
রতন মিয়া (৩০) পিতা মো. শফিকুল ইসলাম, গ্রাম মিনাজ বাজার, কাউনিয়া, রংপুর।
পরে এই তিন শ্রমিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই গ্রামের মৃত কমর উদ্দিন বেপারীর ছেলে মিজানুর রহমান মটুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেও নকল পণ্য তৈরির আরও সরঞ্জাম উদ্ধারসহ মিজানুরকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় গোপনে নকল বিড়ি সিগারেট ও গুল তৈরি হচ্ছিল। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব পণ্য স্থানীয় বাজার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলায় সরবরাহ করা হতো। নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কর ফাঁকি দিয়ে এই পণ্য বাজারজাত করার ফলে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।
এ ধরনের পণ্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ায়। কারণ, এগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত মান বজায় রাখা হয় না এবং ব্যবহার করা হয় মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান।  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ  সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বগুড়ার সোনাতলায় নকল বিড়ি, সিগারেট ও গুল তৈরির কারখানায় সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান:  আটক – ৪

আপডেট : ০৯:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকড়িয়া গ্রামে অবৈধভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যান্ডের  নকল বিড়ি, সিগারেট ও গুল তৈরির কারখানায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি,  সিগারেট ও গুল,  এসব পণ্যের তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করার পাশাপাশি ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) দিবাগত  রাত ১২ টার সময়  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সারিয়াকান্দি ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন আরাফাত এবং সোনাতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের মূল কেন্দ্র ছিল উত্তর আটকড়িয়া গ্রামের মৃত বাবু মোল্লার ছেলে মো. মাহমুদ এবং মোমিন মিয়ার বসতবাড়িতে স্থাপিত অবৈধ কারখানা দুটি।
অভিযানে কারখানা থেকে নকল বিড়ি সিগারেট তৈরির কাঁচামাল ও  গুল তৈরির উপাদান, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য, মোড়কজাত করার উপকরণ, নকল ব্যান্ডরোল এবং সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এসময় তিন শ্রমিককে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: তুষার মিয়া (১৯) পিতা মৃত লাল মিয়া, গ্রাম কামদেব, গঙ্গাচড়া, রংপুর
নাঈম ইসলাম (২৮) পিতা মৃত খায়রুল ইসলাম, গ্রাম জাগরণ পাড়া, হারাগাছ, রংপুর
রতন মিয়া (৩০) পিতা মো. শফিকুল ইসলাম, গ্রাম মিনাজ বাজার, কাউনিয়া, রংপুর।
পরে এই তিন শ্রমিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই গ্রামের মৃত কমর উদ্দিন বেপারীর ছেলে মিজানুর রহমান মটুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেও নকল পণ্য তৈরির আরও সরঞ্জাম উদ্ধারসহ মিজানুরকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় গোপনে নকল বিড়ি সিগারেট ও গুল তৈরি হচ্ছিল। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব পণ্য স্থানীয় বাজার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলায় সরবরাহ করা হতো। নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কর ফাঁকি দিয়ে এই পণ্য বাজারজাত করার ফলে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।
এ ধরনের পণ্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ায়। কারণ, এগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত মান বজায় রাখা হয় না এবং ব্যবহার করা হয় মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান।  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ  সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।