ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম ও পেশাগত অধিকার সংরক্ষণসহ সার্বিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক-কর্মজীবী সংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের সকল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়ের পর এক ঘণ্টা কর্মস্থলে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পুনরায় উত্থাপন করেন, যার মধ্যে রয়েছে:
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৭ দফা দাবি
সরকারি প্রজ্ঞাপনের আলোকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদ সংরক্ষণ করা।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদে পদোন্নতি ৫০% এ উন্নীত করা।
একমুখী প্রকৌশল শিক্ষাব্যবস্থা চালুসহ মেধার অপচয় রোধে প্রকৌশলীদের পেশা পরিবর্তন রোধ ও প্রকৌশল সংস্থায় প্রশাসনিক পদে প্রশাসনিক ক্যাডারের জনবল নিয়োগ করা।
প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র ডেস্ক ও ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বিভাজন করে একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড অনুযায়ী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের ডেস্ক এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ নিয়োজিত করা।
আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং টীম কনসেপ্ট অনুযায়ী সকল প্রকৌশল সংস্থার জনবল কাঠামোতে বিএসসি ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের হার ১:৫ অনুপাত নির্ধারণ করা।
পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টিএসসিতে শিক্ষক স্বল্পতা দূর করে ১:১২ অনুপাতে শিক্ষক নিয়োগ এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কারিকুলাম ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরপূর্বক আধুনিকায়ন করা।
সকল প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি সহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি বৃদ্ধি করা।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী জানান, “আমরা রাষ্ট্রের অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার হয়েও সবসময় উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি তুলে ধরছি।“
উল্লেখ্য, সারাদেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই প্রতীকী কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন রুপে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট নেতারা।




















