ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলবে নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দং’শ’নে গৃহবধূর মৃ”ত্যু

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 159

মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাহেরচর এলাকায় নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল মিয়াজির স্ত্রী।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ আদায় করছিলেন ফাতেমা বেগম। নামাজ শেষ করার সময় ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর বাম দিকে ফিরতেই হঠাৎ একটি গোখরা সাপ তাকে কোমরে দংশন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা ঝোপে লুকিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নৌপথে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রায় ১০/১২ দিন আগে ফাতেমা বেগমের বসতঘরের ভেতর থেকে একটি গোখরা সাপ মারা হয়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্গম চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঝোপ থেকে বিষাক্ত গোখরা সাপটিকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

ফাতেমা বেগমের স্বামী আরিফুল মিয়াজি জানান, আমরা দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাস করি, এখানে কোনো হাসপাতাল বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নদীপথে অনেক কষ্টে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

মৃত ফাতেমা বেগম দুই ছেলে ও চার মেয়ের জননী ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

মতলবে নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দং’শ’নে গৃহবধূর মৃ”ত্যু

আপডেট : ০৭:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল বাহেরচর এলাকায় নামাজরত অবস্থায় বিষাক্ত গোখরার দংশনে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোহনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল মিয়াজির স্ত্রী।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ আদায় করছিলেন ফাতেমা বেগম। নামাজ শেষ করার সময় ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর বাম দিকে ফিরতেই হঠাৎ একটি গোখরা সাপ তাকে কোমরে দংশন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা ঝোপে লুকিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নৌপথে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রায় ১০/১২ দিন আগে ফাতেমা বেগমের বসতঘরের ভেতর থেকে একটি গোখরা সাপ মারা হয়েছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্গম চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঝোপ থেকে বিষাক্ত গোখরা সাপটিকে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

ফাতেমা বেগমের স্বামী আরিফুল মিয়াজি জানান, আমরা দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাস করি, এখানে কোনো হাসপাতাল বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। নদীপথে অনেক কষ্টে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

মৃত ফাতেমা বেগম দুই ছেলে ও চার মেয়ের জননী ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।