ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কফ সিরাপ খেয়ে দুই শিশুর মৃ”ত্যু, নিরাপদ প্রমাণে গিয়ে অ’জ্ঞা’ন ডাক্তার

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৪:১১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • 202

 

 

ভারতের রাজস্থানে বিষাক্ত কফ সিরাপ সেবনে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওষুধটিকে নিরাপদ প্রমাণ করতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক সিনিয়র চিকিৎসকও।

প্রথম শিশুটি, নীতিশ, শিকর জেলার বাসিন্দা। সর্দি-কাশির কারণে তাকে স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক কফ সিরাপ প্রেসক্রাইব করেন। রাতে ওষুধ সেবনের পর নীতিশ হেঁচকি তুলতে থাকে এবং অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে আর জাগানো যায়নি।

এ ঘটনার পর আরেক অভিভাবক জানান, তাদের দুই বছরের সন্তানও ২২ সেপ্টেম্বর একই সিরাপ খাওয়ার পর মারা যায়। শুধু তাই নয়, পরিবারের আরও দুই শিশু দীর্ঘ সময় অচেতন অবস্থায় ছিল এবং পরে বমি করতে থাকে।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের ইনচার্জ ডা. তারাচাঁদ যোগী দাবি করেন, ওষুধটি একেবারেই নিরাপদ। বিষয়টি প্রমাণ করতে তিনি নিজে এক ডোজ সিরাপ সেবন করেন এবং এক অ্যাম্বুল্যান্স চালককেও দেন। কিন্তু ভরতপুরের পথে রওনা দেওয়ার পর মাঝপথে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। ৮ ঘণ্টা পর ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। একই অবস্থা হয়েছিল অ্যাম্বুল্যান্স চালকেরও। যদিও চিকিৎসার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন।

শিশুদের মৃত্যু ও অসুস্থতার পর রাজস্থান সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সংশ্লিষ্ট কফ সিরাপের ২২টি ব্যাচ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে এবং ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শিশুদের মৃত্যুর এই ঘটনা ঘিরে রাজস্থানে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

কফ সিরাপ খেয়ে দুই শিশুর মৃ”ত্যু, নিরাপদ প্রমাণে গিয়ে অ’জ্ঞা’ন ডাক্তার

আপডেট : ০৪:১১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

 

 

ভারতের রাজস্থানে বিষাক্ত কফ সিরাপ সেবনে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওষুধটিকে নিরাপদ প্রমাণ করতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক সিনিয়র চিকিৎসকও।

প্রথম শিশুটি, নীতিশ, শিকর জেলার বাসিন্দা। সর্দি-কাশির কারণে তাকে স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক কফ সিরাপ প্রেসক্রাইব করেন। রাতে ওষুধ সেবনের পর নীতিশ হেঁচকি তুলতে থাকে এবং অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে আর জাগানো যায়নি।

এ ঘটনার পর আরেক অভিভাবক জানান, তাদের দুই বছরের সন্তানও ২২ সেপ্টেম্বর একই সিরাপ খাওয়ার পর মারা যায়। শুধু তাই নয়, পরিবারের আরও দুই শিশু দীর্ঘ সময় অচেতন অবস্থায় ছিল এবং পরে বমি করতে থাকে।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের ইনচার্জ ডা. তারাচাঁদ যোগী দাবি করেন, ওষুধটি একেবারেই নিরাপদ। বিষয়টি প্রমাণ করতে তিনি নিজে এক ডোজ সিরাপ সেবন করেন এবং এক অ্যাম্বুল্যান্স চালককেও দেন। কিন্তু ভরতপুরের পথে রওনা দেওয়ার পর মাঝপথে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। ৮ ঘণ্টা পর ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। একই অবস্থা হয়েছিল অ্যাম্বুল্যান্স চালকেরও। যদিও চিকিৎসার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন।

শিশুদের মৃত্যু ও অসুস্থতার পর রাজস্থান সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সংশ্লিষ্ট কফ সিরাপের ২২টি ব্যাচ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে এবং ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শিশুদের মৃত্যুর এই ঘটনা ঘিরে রাজস্থানে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।