ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালী বিভাগ চাই: মাইজদীতে হাজারো কণ্ঠে একই স্লোগান

 

 

নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে মাইজদীতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর নোয়াখালীর মাইজদী সুপার মার্কেটের সামনে ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন হাজারো মানুষ। কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণার প্রতিবাদ এবং নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে এ গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়।

পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে একই দাবির স্লোগানে। সংগঠিত এ আন্দোলনে অংশ নেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ—শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ তরুণ-যুবা ও প্রবীণ নাগরিকরা। সবার কণ্ঠে ছিল নোয়াখালীর প্রতি দীর্ঘদিনের অবহেলার ক্ষোভ এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা।

নোয়াখালী জেলার দীর্ঘ ইতিহাস, ভাষাগত স্বাতন্ত্র্যতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং জনসংখ্যার বিচারে এ অঞ্চলকে প্রশাসনিকভাবে বিভাগ ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিনের। বক্তাদের মতে, নোয়াখালীকে পূর্ণাঙ্গ বিভাগ ঘোষণা করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে, প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে আরও সহজ এবং বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

আন্দোলনের পুরো সময়জুড়ে ছিল শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত থাকলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়নি।

আন্দোলনকারীরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন—কুমিল্লার পাশাপাশি নোয়াখালীর দীর্ঘদিনের দাবিও দ্রুত বাস্তবায়ন করে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে।

 

 

 

RK / SAIF

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

নোয়াখালী বিভাগ চাই: মাইজদীতে হাজারো কণ্ঠে একই স্লোগান

আপডেট : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

 

 

নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে মাইজদীতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর নোয়াখালীর মাইজদী সুপার মার্কেটের সামনে ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন হাজারো মানুষ। কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণার প্রতিবাদ এবং নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে এ গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়।

পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে একই দাবির স্লোগানে। সংগঠিত এ আন্দোলনে অংশ নেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ—শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ তরুণ-যুবা ও প্রবীণ নাগরিকরা। সবার কণ্ঠে ছিল নোয়াখালীর প্রতি দীর্ঘদিনের অবহেলার ক্ষোভ এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা।

নোয়াখালী জেলার দীর্ঘ ইতিহাস, ভাষাগত স্বাতন্ত্র্যতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং জনসংখ্যার বিচারে এ অঞ্চলকে প্রশাসনিকভাবে বিভাগ ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিনের। বক্তাদের মতে, নোয়াখালীকে পূর্ণাঙ্গ বিভাগ ঘোষণা করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে, প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে আরও সহজ এবং বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

আন্দোলনের পুরো সময়জুড়ে ছিল শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত থাকলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়নি।

আন্দোলনকারীরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন—কুমিল্লার পাশাপাশি নোয়াখালীর দীর্ঘদিনের দাবিও দ্রুত বাস্তবায়ন করে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে।

 

 

 

RK / SAIF