চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের নবকলস গ্রামের যুবক মো. হাবিব খান (২১) জীবিকার আশায় সৌদি আরবের পথে পা বাড়িয়েছিলেন। পরিবারের একমাত্র ছেলে হাবিব ভেবেছিলেন বিদেশের মাটিতে ঘাম ঝরিয়ে সুখের হাসি ফোটাবেন বাবা-মায়ের মুখে। কিন্তু বাস্তবে তার জীবনের গল্প শেষ হলো মক্কার একটি হাসপাতালের বিছানায়।
২০২৩ সালে দালালের মাধ্যমে ঋণ করে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা খরচে সৌদি আরব যান তিনি। শুরুতে মক্কার একটি আবাসিক হোটেলে কাজ পেলেও শিগগিরই সেই চাকরি হারান। এরপর ছোটখাটো কাজ জুটলেও নিয়মিত মজুরি মেলেনি। নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি।
১২ দিন আগে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা ওঠে হাবিবের। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত মক্কার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাত ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
হাবিব খানের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। বাবা মিজানুর রহমান খান ও মা হোসনে আরা বেগম একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ। চার সন্তানের মধ্যে হাবিব ছিলেন পরিবারের ভরসা। এখন তাদের অপেক্ষা কেবল প্রিয়জনের মরদেহ দেশে ফেরার।
স্থানীয়রা জানান, প্রবাস জীবনের স্বপ্নে বুক বেঁধে দেশ ছেড়েছিলেন হাবিব। কিন্তু দালালের খপ্পরে পড়ে তিনি যেমন স্থায়ী কাজ পাননি, তেমনি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করলেন বিদেশের মাটিতে।
আরকে/ সাইফ




















