কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার এমন একটি জায়গা, যা গত ৫০ বছরেও কেউ উদ্ধার করতে পারেনি সেই জায়গা উদ্ধার করে গোলচত্তর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নু-এমং মারমা মং। এ উপলক্ষে বিশাল অঙ্কের বাজেটও বরাদ্দ আনা হয়েছে।
এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে শাহের বানু আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও মুন্সী জিন্নাত আলী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হক বলেন, আমি চাই, সেই গোলচত্তরের নামটি হোক ‘মারমা চত্তর’। এই নামের মাধ্যমে তাঁর সৎ, সাহসী ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত মনোভাবের স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বরুড়ার আমড়াতলীর ফলকামুড়ি গ্রামে শাহের বানু আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে মুন্সী জিন্নাত আলী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্ট ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হক। প্রধান অতিথি ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু-এমং মারমা মং। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. সাইফুল ইসলাম এবং শাহের বানু আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি আমীন নার্গিস।
বক্তব্যে আব্দুল হক আরও বলেন,আমাদের ইউএনও অল্প সময়েই সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। যে কাজটি অর্ধশতাব্দী ধরে কেউ করতে পারেননি, তিনি তা করে দেখিয়েছেন। ইউএনও সাহেব টাকার কাছে পরাজিত হননি, বরং সততা দিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। আমি তাঁর দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করি।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউএনও নু-এমং মারমা মং ও এএসপি সাইফুল ইসলামকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া শাহের বানু আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কাউট সদস্যদের প্রেসিডেন্ট পদক অর্জন ও এ-প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম মজুমদার। পরিশেষে মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
RK / SAIF




















