লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই সোনাতলা উপজেলা ডাকঘরে পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার উদ্দেশ্যে গেলে সেখানে পোস্টাল অপারেটর পরিচয় দিয়ে কর্মচারী মোঃ হোসেন আলী তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। পরদিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অর্থ নিয়ে আসতে বলেন তিনি।
পরদিন ১৭ জুলাই মিতু ৫ লাখ টাকা ও কাগজপত্র নিয়ে গেলে হোসেন আলী তা গ্রহণ করেন এবং কিছুক্ষণ পর একটি পূরণকৃত ফর্ম হাতে দিয়ে জানান—সঞ্চয়পত্র খোলা হয়ে গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ শেষে অধিক মুনাফাসহ টাকা উত্তোলন করা যাবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
কিন্তু চলতি বছরের ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জরুরি প্রয়োজনে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গাতে সোনাতলা ডাকঘরে গেলে উপজেলা পোস্টমাস্টার জানান—উপস্থাপিত সঞ্চয়পত্রটি ভুয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মোঃ হোসেন আলী ওই শাখায় কর্মরত নন। তিনি নাকি বদলি হয়ে গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরে কর্মরত আছেন।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরে গিয়ে পোস্টমাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে ফোনে জানানো হয়—মোঃ হোসেন আলী সঞ্চয়পত্র বাবদ কোনো অর্থ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগকারী ছনিয়া আকতার মিতু সংবাদ সম্মেলনে বলেন— পাঁচ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও আমার টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি।
স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।




















