ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ার সোনাতলায় চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে  মা ও ছেলের আত্মহত্যা

বগুড়ার সোনাতলা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়ঘরিয়া পাড়ায় চলন্ত ট্রেনের নিচে  মা ছেলেকে নিয়ে ঝাপ দিয়ে  মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন রনি বেগম (৩০) ও তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (৯)।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে শান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী ২১ আপ পদ্মরাগ ট্রেনের নিচে ঝাপ আত্মহত্যা করেন। সোনাতলা রেল স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় রনি বেগম তার ছেলেকে জোরপূর্বক ধরে  চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ওই সময় ছেলে ইয়াসিন আরাফাত প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল।
নিহত রনি বেগমের স্বামী রুবেল হোসেনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার জীবনপুর গ্রামে। রনি বেগম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের দোয়াইল গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি তার বাবার বাড়ি দোয়াইল গ্রামে বেড়াতে আসেন।

রবিবার সকালে ছেলেকে প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নিয়ে বের হন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আত্মীয়-স্বজনেরা নিহত মা ও ছেলের মরদেহ দোয়াইল গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

বগুড়ার সোনাতলায় চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে  মা ও ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট : ০২:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বগুড়ার সোনাতলা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়ঘরিয়া পাড়ায় চলন্ত ট্রেনের নিচে  মা ছেলেকে নিয়ে ঝাপ দিয়ে  মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন রনি বেগম (৩০) ও তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (৯)।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে শান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী ২১ আপ পদ্মরাগ ট্রেনের নিচে ঝাপ আত্মহত্যা করেন। সোনাতলা রেল স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় রনি বেগম তার ছেলেকে জোরপূর্বক ধরে  চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ওই সময় ছেলে ইয়াসিন আরাফাত প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল।
নিহত রনি বেগমের স্বামী রুবেল হোসেনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার জীবনপুর গ্রামে। রনি বেগম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের দোয়াইল গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি তার বাবার বাড়ি দোয়াইল গ্রামে বেড়াতে আসেন।

রবিবার সকালে ছেলেকে প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নিয়ে বের হন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আত্মীয়-স্বজনেরা নিহত মা ও ছেলের মরদেহ দোয়াইল গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।