আমি কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে আসিনি, এসেছি মতলবের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এমন বক্তব্য দিয়ে চাঁদপুর–২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনের নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) প্রার্থী ফয়জুন্নুর আখন রাসেল।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের কাছ থেকে তিনি ‘হাতি’ প্রতীক গ্রহণ করেন।
নিজেকে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান উল্লেখ করে ফয়জুন্নুর আখন রাসেল বলেন, অনেকে নির্বাচনের পরে বলেন দেশের জন্য কাজ করবেন। আমার ভাবনাটা আলাদা। আমি নেতা হতে নয়, জনগণের প্রতিনিধি হয়ে মানুষের পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরও জানান, চাঁদপুর জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী।
মতলব এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বিআরপি প্রার্থী বলেন, এ জনপদের অধিকাংশ মানুষ প্রবাসনির্ভর হলেও তিনি চান মতলবের যুবসমাজ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজ এলাকাতেই কর্মসংস্থান গড়ে তুলুক। এ লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি চাই দক্ষ জনশক্তি তৈরি হোক। তাহলে বিদেশে যেতে হলেও দালালের মাধ্যমে যেতে হবে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈধ ও সম্মানজনক উপায়ে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
মতলবের বেড়িবাঁধ এলাকার দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা এবং সেখানে গড়ে ওঠা আইটি ট্রেনিং সেন্টারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে সেখানে ডেডিকেটেড একটি ফ্লোর রেখে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন, যাতে এখান থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ফয়জুন্নুর আখন রাসেল বলেন, বর্তমানে মতলবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, সবাই মিলে গড়বো আগামীর মতলব এই প্রত্যয় নিয়েই তিনি নির্বাচনী মাঠে এগিয়ে যেতে চান।




















