শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনা,পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদপুর–১ (কচুয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন-কে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাবিদ, অভিভাবক ও সুধীজন।
সম্প্রতি বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও কর্মমুখী করতে হলে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের ওপর জোর দিতে হবে। তারা মনে করেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি ।আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সমন্বিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা গেলে দেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ক্ষেত্রে দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।
বক্তারা উল্লেখ করেন, শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কারণে ড. মিলনের মতো নেতৃত্ব শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হতে পারেন। তারা শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, গবেষণাভিত্তিক নীতি প্রণয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সর্বোপরি, শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে শক্তিশালী ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথাই আলোচনায় উঠে।
আরকে/ সাইফ




















