ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের দাবি: ইরান হা’ম’লার প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হেগসেথ

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:১৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • 78

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠকে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার প্রাথমিক প্রস্তাব তার প্রশাসনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ করেছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার ‘মেম্ফিস সেফ টাস্ক ফোর্স’-এর বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, হেগসেথই ছিলেন প্রথম শীর্ষ কর্মকর্তা যিনি ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য ওয়াশিংটনে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ প্রশাসনের ভেতরে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে বিভিন্ন মতবিরোধ এবং পরস্পরবিরোধী ব্যাখ্যা রয়েছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য প্রশাসনের ভেতরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার নিজের নয়, বরং এটি একটি যৌথ আলোচনা ও প্রস্তাবের ফলাফল ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বক্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশটির নীতি নিয়ে জল্পনা বাড়াতে পারে।
মোটকথা, ট্রাম্পের মন্তব্য প্রশাসনের ভেতরের মতবিরোধ এবং নেতৃত্বের দায়িত্ব বিতরণের প্রশ্নকে আবারও সামনে এনেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কাড়ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ট্রাম্পের দাবি: ইরান হা’ম’লার প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হেগসেথ

আপডেট : ০৭:১৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠকে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার প্রাথমিক প্রস্তাব তার প্রশাসনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ করেছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার ‘মেম্ফিস সেফ টাস্ক ফোর্স’-এর বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, হেগসেথই ছিলেন প্রথম শীর্ষ কর্মকর্তা যিনি ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য ওয়াশিংটনে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ প্রশাসনের ভেতরে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে বিভিন্ন মতবিরোধ এবং পরস্পরবিরোধী ব্যাখ্যা রয়েছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য প্রশাসনের ভেতরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার নিজের নয়, বরং এটি একটি যৌথ আলোচনা ও প্রস্তাবের ফলাফল ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বক্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশটির নীতি নিয়ে জল্পনা বাড়াতে পারে।
মোটকথা, ট্রাম্পের মন্তব্য প্রশাসনের ভেতরের মতবিরোধ এবং নেতৃত্বের দায়িত্ব বিতরণের প্রশ্নকে আবারও সামনে এনেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কাড়ছে।