ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউপিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থাকলেও নেই ডাক্তার – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২
  • 115
জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলা ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন কড়ৈতলী বাজারে অবস্থিত নামে মাত্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং কোন কর্মকর্তা,শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা একজন পরিদর্শক মাঝে একটু আসে। রোগীর রোগ নির্ণয়েও নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। সর্দি-কাশি, জ্বর, মাথা ব্যাথার চিকিৎসায় ভরসা স্থানীয় ফার্মেসি। ১৭ জন কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও নেই দেখাশোনা করার মতো কেউ,অযত্নে-অবহেলার কারণে রাতে চলছে মাদকের আড্ডা , দিনে সিএনজি স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি।
স্থানীয় তরুণ সমাজসেবক রাজনীতিবিদ মামুন হোসেন জানান নাম মাত্র( মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র) ডাক্তার নেই, সরকারিভাবে কোনো তদারকি না থাকার কারণে এখন কল্যাণ কেন্দ্র টি হল মাদক সেবীদের আস্তানা, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই এখানে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য। সাধারণ রোগীরা যেন চিকিৎসা নিতে পারে।
অপর আরেক ব্যক্তি তাফাজ্জ্বল পাটোয়ারী জানান দুঃখের সাথে বলতে হয় হাসপাতাল আছে ডাক্তার নাই, আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ জানেনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র কি? যদি জানতো কর্তৃপক্ষ এসে পরিদর্শন করে যেত । হাজার হাজার রোগীদের কষ্ট হচ্ছে, ডাক্তার দেখাতে পারছে না। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
স্হানীয় আরো কয়েকজন ব্যক্তি বলেন ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক লিপি পাল নামে একজন মাসে ২,১ দিন এসে দেখে যায় মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র আছে কি না।।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তছলিম মিয়া বলেন জনবল সংকট, এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এই জন্য একজন ইউনিয়ন পরিদর্শক সপ্তাহে ২ দিন যায় তবে সেখানে কোন ডাক্তার নেই।
Attachments area
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের নিখোঁজ দুলালকে পাওয়া গেছে: পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি

ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউপিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থাকলেও নেই ডাক্তার – Rknews71

আপডেট : ১২:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২
জসিম উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ:
চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলা ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন কড়ৈতলী বাজারে অবস্থিত নামে মাত্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং কোন কর্মকর্তা,শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা একজন পরিদর্শক মাঝে একটু আসে। রোগীর রোগ নির্ণয়েও নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। সর্দি-কাশি, জ্বর, মাথা ব্যাথার চিকিৎসায় ভরসা স্থানীয় ফার্মেসি। ১৭ জন কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও নেই দেখাশোনা করার মতো কেউ,অযত্নে-অবহেলার কারণে রাতে চলছে মাদকের আড্ডা , দিনে সিএনজি স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি।
স্থানীয় তরুণ সমাজসেবক রাজনীতিবিদ মামুন হোসেন জানান নাম মাত্র( মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র) ডাক্তার নেই, সরকারিভাবে কোনো তদারকি না থাকার কারণে এখন কল্যাণ কেন্দ্র টি হল মাদক সেবীদের আস্তানা, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই এখানে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য। সাধারণ রোগীরা যেন চিকিৎসা নিতে পারে।
অপর আরেক ব্যক্তি তাফাজ্জ্বল পাটোয়ারী জানান দুঃখের সাথে বলতে হয় হাসপাতাল আছে ডাক্তার নাই, আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ জানেনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র কি? যদি জানতো কর্তৃপক্ষ এসে পরিদর্শন করে যেত । হাজার হাজার রোগীদের কষ্ট হচ্ছে, ডাক্তার দেখাতে পারছে না। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
স্হানীয় আরো কয়েকজন ব্যক্তি বলেন ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক লিপি পাল নামে একজন মাসে ২,১ দিন এসে দেখে যায় মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র আছে কি না।।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তছলিম মিয়া বলেন জনবল সংকট, এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এই জন্য একজন ইউনিয়ন পরিদর্শক সপ্তাহে ২ দিন যায় তবে সেখানে কোন ডাক্তার নেই।
Attachments area