ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠখোলা শিব ও কালী মন্দির কমিটি গঠন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:১৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • 242

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার পৌর ১৩নং ওয়ার্ডস্থ মঠখোলা মঠের শিব ও কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টায় মঠ প্রাঙ্গণে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাবেক কমিটি বিলুপ্ত করে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৩বছরের জন্য নতুনভাবে ৩১সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করেন কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীগন।

 

সভাপতি পদে যুবরাজ চন্দ্র দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে শীতল চন্দ্র দে, সাধারণ সম্পাদক পদে বাবুল চন্দ্র দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সাগর আচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে তমাল আচার্য-কে নির্বাচিত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়।

 

নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মন্দিরের কাঠামো উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং ভক্তদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন নেতৃত্ব অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে। মন্দিরে নিয়মিত পূজা-পার্বণ, উৎসব এবং ধর্মীয় আচারগুলো সুষ্ঠভাবে পালনের জন্য নতুন কমিটি একতাবদ্ধভাবে কাজ শুরু করবে। মন্দিরের অর্থ ও সম্পদের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব ঠিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।

সবার সহযোগিতায় মন্দির পরিচালনা এবং পূর্বের কোনো দ্বন্দ্ব থাকলে তা নিরসন করে ঐক্যের ডাক দেওয়া হবে নিশ্চয়ই।

 

উল্লেখ্য, মঠখোলার মঠটি ১৭৬১ থেকে ১৭৭২ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়। তখনকার সময়ের দুই জমিদার পরিবার মিলে এই মঠটি তৈরি করেন। তারা হলেন রায় পরিবার জমিদার বংশ এবং মজুমদার পরিবার জমিদার বংশ। তখনকার সময় থেকেই মঠটি শিব মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত এবং সেখানে প্রতিবছর পূজা করা হত। একশতাব্দি পরে মঠটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মজুমদার জমিদার বংশের জমিদার কৃষ্ট মজুমদার পূণরায় মঠটিকে সংস্কার করেন।

প্রত্যেক বাংলা বছরের চৈত্রসংক্রান্তিতে এই মঠটির পাশে মেলা বসত যা এখনো বিদ্যমান আছে মঠখোলা বাজারে। কালের গর্ভে মঠটি বিলীন হয়ে গেলেও এলাকার সনাতনীদের প্রচেষ্টায় এর অস্তিত্ব হিসেবে এখনো দাঁড়িয়ে আছে শিব মন্দির ও কালী মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর। প্রতিবছরের বিশেষ দিনগুলোতে উদযাপন করা হয় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

 

আরকে/ সাইফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

মঠখোলা শিব ও কালী মন্দির কমিটি গঠন

আপডেট : ০৯:১৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার পৌর ১৩নং ওয়ার্ডস্থ মঠখোলা মঠের শিব ও কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টায় মঠ প্রাঙ্গণে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাবেক কমিটি বিলুপ্ত করে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৩বছরের জন্য নতুনভাবে ৩১সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করেন কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীগন।

 

সভাপতি পদে যুবরাজ চন্দ্র দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে শীতল চন্দ্র দে, সাধারণ সম্পাদক পদে বাবুল চন্দ্র দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সাগর আচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে তমাল আচার্য-কে নির্বাচিত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়।

 

নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মন্দিরের কাঠামো উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং ভক্তদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন নেতৃত্ব অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে। মন্দিরে নিয়মিত পূজা-পার্বণ, উৎসব এবং ধর্মীয় আচারগুলো সুষ্ঠভাবে পালনের জন্য নতুন কমিটি একতাবদ্ধভাবে কাজ শুরু করবে। মন্দিরের অর্থ ও সম্পদের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব ঠিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।

সবার সহযোগিতায় মন্দির পরিচালনা এবং পূর্বের কোনো দ্বন্দ্ব থাকলে তা নিরসন করে ঐক্যের ডাক দেওয়া হবে নিশ্চয়ই।

 

উল্লেখ্য, মঠখোলার মঠটি ১৭৬১ থেকে ১৭৭২ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়। তখনকার সময়ের দুই জমিদার পরিবার মিলে এই মঠটি তৈরি করেন। তারা হলেন রায় পরিবার জমিদার বংশ এবং মজুমদার পরিবার জমিদার বংশ। তখনকার সময় থেকেই মঠটি শিব মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত এবং সেখানে প্রতিবছর পূজা করা হত। একশতাব্দি পরে মঠটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মজুমদার জমিদার বংশের জমিদার কৃষ্ট মজুমদার পূণরায় মঠটিকে সংস্কার করেন।

প্রত্যেক বাংলা বছরের চৈত্রসংক্রান্তিতে এই মঠটির পাশে মেলা বসত যা এখনো বিদ্যমান আছে মঠখোলা বাজারে। কালের গর্ভে মঠটি বিলীন হয়ে গেলেও এলাকার সনাতনীদের প্রচেষ্টায় এর অস্তিত্ব হিসেবে এখনো দাঁড়িয়ে আছে শিব মন্দির ও কালী মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর। প্রতিবছরের বিশেষ দিনগুলোতে উদযাপন করা হয় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

 

আরকে/ সাইফ