চাঁদপুরে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ—স্থাপনের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উভয় প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত জমির প্রয়োজনীয় নথিপত্র ইতোমধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সদর উপজেলার ৪ নম্বর শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমড়ারডুগী গ্রামে, চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ৫৮ নম্বর কুমড়ারডুগী মৌজায় মোট ৫৯.৭০৫০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, যোগাযোগ সুবিধা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের দিক থেকে স্থানটি অত্যন্ত উপযোগী।
অন্যদিকে, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের জন্য সদর উপজেলার চরমেশা গ্রামের গাছতলা এলাকায় ভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ নম্বর মৌজায় ১.৭৩ একর এবং ৯০ নম্বর মহাদেবপুর মৌজায় ২৮.৩৯ একর জমিসহ মোট ৩০.১২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২.৫৮ একর খাস জমি এবং ২৭.০৪ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি রয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে দ্রুত প্রকল্পের অবকাঠামোগত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। এতে চাঁদপুরে উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) একরামুল ছিদ্দিক জানান,
“ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই দুই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থী ও রোগীরা সরাসরি উপকৃত হবেন। পাশাপাশি এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




















