ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ, মরদেহ মর্গে রেখেই স্বামীর পলায়ন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • 63

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বামী হাফিজ মোল্লার নির্যাতনের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামিয়া আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের মৃত্যুর পর ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মরদেহ মর্গে রেখেই অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
নিহত সামিয়া আক্তার রামগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ভাদুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।
পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন তার স্বামী। সর্বশেষ নির্যাতনের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর পর অভিযুক্ত স্বামী মরদেহ মর্গে রেখে আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার অভিযানে হার্ডওয়্যার দোকানের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ, মরদেহ মর্গে রেখেই স্বামীর পলায়ন

আপডেট : ০১:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বামী হাফিজ মোল্লার নির্যাতনের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামিয়া আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের মৃত্যুর পর ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মরদেহ মর্গে রেখেই অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
নিহত সামিয়া আক্তার রামগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ভাদুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।
পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন তার স্বামী। সর্বশেষ নির্যাতনের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর পর অভিযুক্ত স্বামী মরদেহ মর্গে রেখে আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।