ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় প্রবাসীর স্বর্ণ আ’ত্মসাতের ঘটনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সমাবেশ 

কচুয়ার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সফিবাদ গ্রামে প্রবাসীর স্বর্ণ আত্মসাতের  ঘটনায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ওই ইউনিয়নের পালাখাল -সিংআড্ডা সড়কের সফিবাদ বাজার এলাকায় প্রবাসীর স্বর্ণ  আত্মসাৎ এর ঘটনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহনে  মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে সমাবেশের বক্তব্য রাখেন  সফিবাদ গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান,সাহেদুল ইসলাম হেলাল, মোস্তফা কামাল মুন্সী, জামাল হোসেন মোল্লা  ও মুক্তা বেগম।

 

বক্তাগণ বলেন,  মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর  কচুয়ার চার হাজী  সামছুল হক,আ: হক,বিবি আয়েশা ও নুরজাহানের মাধ্যমে ৪ শত গ্রাম স্বর্ণ বাংলাদেশে  পাঠায়।

 

 চার হাজী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন অতিক্রম করলে সফিবাদ গ্রামের সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য জানেবুল হাসান মানিক, মামুন, রুবেল মিয়া ও কাউছার চার জন মিলে মিজানুর রহমানের স্বর্ণ আত্মসাৎ করে। প্রবাস থেকে ফেরত এসে মিজানুর রহমান স্বর্ণ উদ্ধারের জন্য  প্রথমে বিমানবন্দর থানায় পরে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায়  কয়েক দফা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালীস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২২ মার্চ সালিশ  বৈঠকে  মানিকগং ৩৫  লক্ষ টাকা মিজানুর রহমানকে দিয়া দিবার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  লিখিত স্ট্যাম্পে  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জানেবুল হাসান মানিকগং ৩৫ লক্ষ টাকার মধ্যে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা    নগদ প্রদান করেন। বাকি টাকা কিছুদিনের মধ্যে দিয়া দিবার  কথা থাকলেও সালিশ বৈঠকের পরে টাকা নিয়ে টালবাহানা শুরু করে। অধিকন্ত টাকা চাইতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে সাংবাদিকদের জানান।

 

স্থানীয়রা জানান, জানেবুল হাসান মানিক ও কাউছার মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে গ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে অত্যাধুনিক ডুপ্লেক্স ভবন তৈরি করে এবং অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এলাকার মানুষের কাছ থেকে বিদেশে লোক নিবার কথা বলে  বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। স্থানীয়রা আরো জানান  জানেবুল হাসান মানিক  আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে  তৎকালীন এক জনপ্রতিনিধির অস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে হুমকি প্রদর্শন করে  জনগণের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।  জানেবুল হাসান মানিকসহ সিন্ডিকেট চক্রের ৪ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী  জানান।

 

এ ব্যাপারে জানেবুল হাসান মানিকের মুঠোফোনে ( 01883832713) চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক(পিপিএম) পেলেন  এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীব

কচুয়ায় প্রবাসীর স্বর্ণ আ’ত্মসাতের ঘটনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সমাবেশ 

আপডেট : ০৯:০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

কচুয়ার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সফিবাদ গ্রামে প্রবাসীর স্বর্ণ আত্মসাতের  ঘটনায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ওই ইউনিয়নের পালাখাল -সিংআড্ডা সড়কের সফিবাদ বাজার এলাকায় প্রবাসীর স্বর্ণ  আত্মসাৎ এর ঘটনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহনে  মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে সমাবেশের বক্তব্য রাখেন  সফিবাদ গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান,সাহেদুল ইসলাম হেলাল, মোস্তফা কামাল মুন্সী, জামাল হোসেন মোল্লা  ও মুক্তা বেগম।

 

বক্তাগণ বলেন,  মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর  কচুয়ার চার হাজী  সামছুল হক,আ: হক,বিবি আয়েশা ও নুরজাহানের মাধ্যমে ৪ শত গ্রাম স্বর্ণ বাংলাদেশে  পাঠায়।

 

 চার হাজী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন অতিক্রম করলে সফিবাদ গ্রামের সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য জানেবুল হাসান মানিক, মামুন, রুবেল মিয়া ও কাউছার চার জন মিলে মিজানুর রহমানের স্বর্ণ আত্মসাৎ করে। প্রবাস থেকে ফেরত এসে মিজানুর রহমান স্বর্ণ উদ্ধারের জন্য  প্রথমে বিমানবন্দর থানায় পরে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায়  কয়েক দফা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালীস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২২ মার্চ সালিশ  বৈঠকে  মানিকগং ৩৫  লক্ষ টাকা মিজানুর রহমানকে দিয়া দিবার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  লিখিত স্ট্যাম্পে  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জানেবুল হাসান মানিকগং ৩৫ লক্ষ টাকার মধ্যে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা    নগদ প্রদান করেন। বাকি টাকা কিছুদিনের মধ্যে দিয়া দিবার  কথা থাকলেও সালিশ বৈঠকের পরে টাকা নিয়ে টালবাহানা শুরু করে। অধিকন্ত টাকা চাইতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে সাংবাদিকদের জানান।

 

স্থানীয়রা জানান, জানেবুল হাসান মানিক ও কাউছার মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে গ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে অত্যাধুনিক ডুপ্লেক্স ভবন তৈরি করে এবং অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এলাকার মানুষের কাছ থেকে বিদেশে লোক নিবার কথা বলে  বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। স্থানীয়রা আরো জানান  জানেবুল হাসান মানিক  আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে  তৎকালীন এক জনপ্রতিনিধির অস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে হুমকি প্রদর্শন করে  জনগণের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।  জানেবুল হাসান মানিকসহ সিন্ডিকেট চক্রের ৪ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী  জানান।

 

এ ব্যাপারে জানেবুল হাসান মানিকের মুঠোফোনে ( 01883832713) চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।