ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে প্রাক্তন ফুটবলার পলাশের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযুক্ত ‘বাংলা রুবেল’সহ ৪ জনের বি’রুদ্ধে অভিযোগ

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 392

হাজীগঞ্জের প্রাক্তণ ফুটবল খেলোয়াড় পলাশের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিনি রোববার (৫ জুলাই) হাজীগঞ্জ থানা দুর্ধর্ষ চোর বাংলা রুবেল’সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ করেন। বাংলা রুবেল একই এলাকার সিরাজ খাঁন বাড়ির আব্দুল কাদেরের ছেলে।

জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পলাশের স্ত্রী বাসার নিচতলায় ছোট বোনের বাসায় যায়। কিছুক্ষণ পরি তিনি নিজ বাসায় ফিরে এসে দেখেন বাসার সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর তিনি ডাক-চিৎকার দিয়ে বাসার ছাদে গেলে এলাকার দুর্ধর্ষ চোর বাংলা রুবেলকে পালাতে দেখেন। পরে তিনি বাসা এসে দেখেন তার বাসার আলমিরাতে রাখা নগদ এক লাখ তিন হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নেই।

কান্নাজড়িত কন্ঠে পলাশ সংবাদকর্মীদের জানান, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। যার কারণে ব্যবসার টাকা ঘরেই রাখি। বাংলা রুবেল’সহ তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন আমার বাসায় চুরি করে। এতে আমি আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি থানায় অভিযোগ করেছি, বাংলা রুবেলকে ধরতে পারলে আমার চুরি হওয়া নগদ টাকা ও আমার স্ত্রীর ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে পারবে।

স্থানীয়রা জানান, বাংলা রুবেল গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে টোরাগড়’সহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি করে আসছে। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। দিনের বেলায় তাকে দেখা না গেলেও রাতের বেলায় সে তার নিজ বাড়িতে আসে এবং নিজ এলাকা’সহ বিভিন্ন স্থানে চুরি করে। তাকে তার পরিবারের লোকজনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তার সাথে ওই বাড়ির একাধিক উঠতি বয়সি যুবক চুরি করে থাকে।

স্থানীয়রা আরো জানান, বাংলা রুবেলের চুরির যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তার সাথে যোগ হয়েছে, ওই বাড়ির একাধিক উঠতি বয়সি যুবক। তারা মাদক সেবন করে এবং চুরি করে। তাই, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করেন এলাকার সচেতনমহল।

এদিকে চুরির ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল মান্নান সংবাদকর্মীদের জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবং চোর চক্রকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

হাজীগঞ্জে প্রাক্তন ফুটবলার পলাশের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযুক্ত ‘বাংলা রুবেল’সহ ৪ জনের বি’রুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট : ১২:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

হাজীগঞ্জের প্রাক্তণ ফুটবল খেলোয়াড় পলাশের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিনি রোববার (৫ জুলাই) হাজীগঞ্জ থানা দুর্ধর্ষ চোর বাংলা রুবেল’সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ করেন। বাংলা রুবেল একই এলাকার সিরাজ খাঁন বাড়ির আব্দুল কাদেরের ছেলে।

জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পলাশের স্ত্রী বাসার নিচতলায় ছোট বোনের বাসায় যায়। কিছুক্ষণ পরি তিনি নিজ বাসায় ফিরে এসে দেখেন বাসার সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর তিনি ডাক-চিৎকার দিয়ে বাসার ছাদে গেলে এলাকার দুর্ধর্ষ চোর বাংলা রুবেলকে পালাতে দেখেন। পরে তিনি বাসা এসে দেখেন তার বাসার আলমিরাতে রাখা নগদ এক লাখ তিন হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নেই।

কান্নাজড়িত কন্ঠে পলাশ সংবাদকর্মীদের জানান, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। যার কারণে ব্যবসার টাকা ঘরেই রাখি। বাংলা রুবেল’সহ তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন আমার বাসায় চুরি করে। এতে আমি আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি থানায় অভিযোগ করেছি, বাংলা রুবেলকে ধরতে পারলে আমার চুরি হওয়া নগদ টাকা ও আমার স্ত্রীর ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে পারবে।

স্থানীয়রা জানান, বাংলা রুবেল গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে টোরাগড়’সহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি করে আসছে। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। দিনের বেলায় তাকে দেখা না গেলেও রাতের বেলায় সে তার নিজ বাড়িতে আসে এবং নিজ এলাকা’সহ বিভিন্ন স্থানে চুরি করে। তাকে তার পরিবারের লোকজনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তার সাথে ওই বাড়ির একাধিক উঠতি বয়সি যুবক চুরি করে থাকে।

স্থানীয়রা আরো জানান, বাংলা রুবেলের চুরির যন্ত্রণায় এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তার সাথে যোগ হয়েছে, ওই বাড়ির একাধিক উঠতি বয়সি যুবক। তারা মাদক সেবন করে এবং চুরি করে। তাই, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করেন এলাকার সচেতনমহল।

এদিকে চুরির ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল মান্নান সংবাদকর্মীদের জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবং চোর চক্রকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।