ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠখোলা মঠের শিব ও কালী মন্দিরের পুনঃসংস্কার কাজের উদ্বোধন

 চাঁদপুর সদর উপজেলার পৌর ১৩নং ওয়ার্ডস্থ মঠখোলায় ঐতিহাসিক সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মঠের শিব ও কালী মন্দিরের পুনঃসংস্কারকাজের  উদ্বোধন হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মন্দিরের সংস্কার কাজ উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

 

দীর্ঘবছর পর মন্দিরের এই সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় অত্র এলাকার সনাতনীদের মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করছে।

 

মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বছরের মে মাসে সম্পূর্ণ নতুনভাবে মন্দিরের একটি কমিটি গঠন হয়। নতুন এই কমিটির প্রথম এবং প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিলো মন্দির নির্মান যা আমরা সকলের সহযোগিতায় শুরু কর‍তে সক্ষম হয়েছি।

মন্দির উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এই মন্দিরে সকল পূজার্চনা অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি যুবরাজ দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি শীতল দে, সাধারণ সম্পাদক বাবুল দে, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন দে এবং কার্যকরী সদস্য সমীর দাস।

 

উল্লেখ্য, মঠখোলার মঠটি ১৭৬১ থেকে ১৭৭২ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়। তখনকার সময়ের দুই জমিদার পরিবার মিলে এই মঠটি তৈরি করেন। তারা হলেন রায় পরিবার জমিদার বংশ এবং মজুমদার পরিবার জমিদার বংশ। তখনকার সময় থেকেই মঠটি শিব মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত এবং সেখানে প্রতিবছর পূজা করা হত। একশতাব্দি পরে মঠটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মজুমদার জমিদার বংশের জমিদার কৃষ্ট মজুমদার পূণরায় মঠটিকে সংস্কার করেন।

পরবর্তীতে মঠটি বিলীন হয়ে গেলে স্থানীয় কয়েকজন সনাতনীদের প্রচেষ্টায় মঠ প্রাঙ্গণে শিব ও কালী মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর নির্মাণ করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবুরকান্দি ফাতেমাতুজ জোহরা (রা.) জামে মসজিদের উদ্বোধন

মঠখোলা মঠের শিব ও কালী মন্দিরের পুনঃসংস্কার কাজের উদ্বোধন

আপডেট : ১২:১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

 চাঁদপুর সদর উপজেলার পৌর ১৩নং ওয়ার্ডস্থ মঠখোলায় ঐতিহাসিক সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মঠের শিব ও কালী মন্দিরের পুনঃসংস্কারকাজের  উদ্বোধন হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মন্দিরের সংস্কার কাজ উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

 

দীর্ঘবছর পর মন্দিরের এই সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় অত্র এলাকার সনাতনীদের মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করছে।

 

মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বছরের মে মাসে সম্পূর্ণ নতুনভাবে মন্দিরের একটি কমিটি গঠন হয়। নতুন এই কমিটির প্রথম এবং প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিলো মন্দির নির্মান যা আমরা সকলের সহযোগিতায় শুরু কর‍তে সক্ষম হয়েছি।

মন্দির উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এই মন্দিরে সকল পূজার্চনা অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি যুবরাজ দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি শীতল দে, সাধারণ সম্পাদক বাবুল দে, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন দে এবং কার্যকরী সদস্য সমীর দাস।

 

উল্লেখ্য, মঠখোলার মঠটি ১৭৬১ থেকে ১৭৭২ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়। তখনকার সময়ের দুই জমিদার পরিবার মিলে এই মঠটি তৈরি করেন। তারা হলেন রায় পরিবার জমিদার বংশ এবং মজুমদার পরিবার জমিদার বংশ। তখনকার সময় থেকেই মঠটি শিব মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত এবং সেখানে প্রতিবছর পূজা করা হত। একশতাব্দি পরে মঠটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মজুমদার জমিদার বংশের জমিদার কৃষ্ট মজুমদার পূণরায় মঠটিকে সংস্কার করেন।

পরবর্তীতে মঠটি বিলীন হয়ে গেলে স্থানীয় কয়েকজন সনাতনীদের প্রচেষ্টায় মঠ প্রাঙ্গণে শিব ও কালী মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর নির্মাণ করা হয়।