ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে রামগঞ্জের প্রবাসী মিল্লাত হোসেনের মৃ’ত্যু

পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে এক দশক আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মিল্লাত হোসেন (৪২)। কিন্তু কর্মস্থলে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সেই স্বপ্নেরই করুণ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে কাজ করার সময় ১০ তলা থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
নিহত মিল্লাত হোসেন রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের হাসনাবাদ মুন্সী বাড়ির মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি মালয়েশিয়ায় নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং প্রবাসে অর্জিত আয়ে পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে আসছিলেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহতের ভাই মো. শরীফ হোসেন বলেন, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন মিল্লাত। কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পরিবারকে গভীর শোকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর হাসনাবাদ গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। মৃত্যুকালে মিল্লাত হোসেন স্ত্রী, দুই কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিকে, নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ

মালয়েশিয়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে রামগঞ্জের প্রবাসী মিল্লাত হোসেনের মৃ’ত্যু

আপডেট : ০৭:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে এক দশক আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মিল্লাত হোসেন (৪২)। কিন্তু কর্মস্থলে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সেই স্বপ্নেরই করুণ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে কাজ করার সময় ১০ তলা থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
নিহত মিল্লাত হোসেন রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের হাসনাবাদ মুন্সী বাড়ির মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি মালয়েশিয়ায় নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং প্রবাসে অর্জিত আয়ে পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে আসছিলেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহতের ভাই মো. শরীফ হোসেন বলেন, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন মিল্লাত। কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পরিবারকে গভীর শোকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর হাসনাবাদ গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। মৃত্যুকালে মিল্লাত হোসেন স্ত্রী, দুই কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিকে, নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।