চাঁদপুরবাসীর অন্যতম নির্ভরতার ট্রেন মেঘনা এক্সপ্রেস আবারও ইঞ্জিন বিকলের কারণে দীর্ঘ বিলম্বের শিকার হয়েছে। শুক্রবার সকালে ট্রেনটির ইঞ্জিন (নং ২৯৩৯) বিকল হয়ে পড়লে লাকসাম জংশনে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শত শত যাত্রীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
যাত্রীদের অভিযোগ, সকাল ৬টা ৪০ মিনিট থেকে ট্রেনটি লাকসামে আটকে থাকলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত বিকল্প ইঞ্জিনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। জানা যায়, বিকল ইঞ্জিনটি লাকসাম লোকোশেডে তাৎক্ষণিকভাবে সচল করা না যাওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে রিলিফ ইঞ্জিন (নং ২৯৩১) পাঠানো হয়। তবে সেটি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগায় ট্রেনের যাত্রা আরও বিলম্বিত হয়।
নিয়মিত যাত্রীদের দাবি, মেঘনা এক্সপ্রেসে দীর্ঘদিন ধরেই ইঞ্জিন ত্রুটি, বিলম্ব এবং সেবার মান নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মতে, ট্রেনটিতে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য ইঞ্জিনের অভাব এবং সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় যাত্রীরা ক্রমেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় অফিস, ব্যবসা ও ব্যক্তিগত কাজে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। নিয়মিত বিলম্বের কারণে অনেক কর্মজীবী যাত্রী চাকরির ক্ষেত্রেও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
যাত্রীরা মেঘনা এক্সপ্রেসে নির্ভরযোগ্য ইঞ্জিন সংযুক্ত করা, সেবার মান উন্নয়ন এবং সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, ইঞ্জিন বিকল ও যাত্রীদের অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।




















