ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনাতলায় পাচারের পথে জব্দ ৩৮ বস্তা সার, কৃষকদের কাছে বিক্রি, ৫ হাজার টাকা জরিমানা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৪:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 19

0-0x0-0-0#

বগুড়ার সোনাতলায় সরকারি বরাদ্দের সার অন্যত্র পাচারের অভিযোগে ৩৮ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সারের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে জব্দ করা সার স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সোনাতলা পৌরসভার ঘোড়াপীর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অন্য একটি উপজেলা থেকে সারগুলো ক্রয় করে সোনাতলার ঘোড়াপীর রোড হয়ে সাঘাটা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সোনাতলা উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। এ সময় দুটি  অটোভ্যান থেকে ৩৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
অভিযানের সময় সার বোঝাই আরও তিনটি অটোভ্যান কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
অভিযানে সোনাতলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল মিয়া এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জব্দ করা সারের মালিক আমজাদ হোসেন (৪৫) কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল মিয়া।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দ করা ৩৮ বস্তা সার স্থানীয় প্রায় ১৯ জন কৃষকের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ বস্তা ইউরিয়া সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং ১৮ বস্তা ডিএপি সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়।
এতে ২০ বস্তা ইউরিয়া সারের মূল্য ২৭ হাজার টাকা এবং ১৮ বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। সব মিলিয়ে ৩৮ বস্তা সারের মোট মূল্য ৪৫ হাজার ৯০০ টাকা। বিক্রয়লব্ধ এ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা পাচার করা না হয়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ নজরদারি করছে। সরকারি বরাদ্দের সার নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযানে সরকারি বরাদ্দের সার পাচারের একটি চালান আটকের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা পলাতক আসামি রাব্বি!

সোনাতলায় পাচারের পথে জব্দ ৩৮ বস্তা সার, কৃষকদের কাছে বিক্রি, ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট : ০৪:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার সোনাতলায় সরকারি বরাদ্দের সার অন্যত্র পাচারের অভিযোগে ৩৮ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সারের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে জব্দ করা সার স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সোনাতলা পৌরসভার ঘোড়াপীর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অন্য একটি উপজেলা থেকে সারগুলো ক্রয় করে সোনাতলার ঘোড়াপীর রোড হয়ে সাঘাটা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সোনাতলা উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। এ সময় দুটি  অটোভ্যান থেকে ৩৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
অভিযানের সময় সার বোঝাই আরও তিনটি অটোভ্যান কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
অভিযানে সোনাতলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল মিয়া এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জব্দ করা সারের মালিক আমজাদ হোসেন (৪৫) কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল মিয়া।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দ করা ৩৮ বস্তা সার স্থানীয় প্রায় ১৯ জন কৃষকের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ বস্তা ইউরিয়া সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং ১৮ বস্তা ডিএপি সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়।
এতে ২০ বস্তা ইউরিয়া সারের মূল্য ২৭ হাজার টাকা এবং ১৮ বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। সব মিলিয়ে ৩৮ বস্তা সারের মোট মূল্য ৪৫ হাজার ৯০০ টাকা। বিক্রয়লব্ধ এ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা পাচার করা না হয়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ নজরদারি করছে। সরকারি বরাদ্দের সার নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযানে সরকারি বরাদ্দের সার পাচারের একটি চালান আটকের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।