ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে বৃষ্টির পর স্বস্তিতে কৃষক – Rknews71

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০১:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২
  • 95

মনিরুল ইসলাম মনির :

প্রচÐ রোদ আর মাসখানেক মুষল ধারে বৃষ্টির দেখা নেই। চাষের জমি পানিশূন্যতায় ফেটে
গেছে। এই অবস্থায় আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলার কৃষকরা। অবশেষে
শনিবার মুষল ধারে বৃষ্টি হয়। রবিবার সকালেও বৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বস্তি ফিরে এসেছে
আমন চাষিদের মধ্যে।

সরেজমিনে রবিবার উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, পুরোদমে শুরু হয়েছে আমন
চাষ। কাদা-পানিতে আমনের চারা রোপণ করছেন কৃষকরা। এমনভাবে কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত
থাকলে আমন রোপণ শেষ হয়ে যাবে বলে জানান তারা।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে, উপজেলায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে।

দূর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক কামাল হোসেন বলেন, এবার বৃষ্টি না হওয়ায় আমন চাষ নিয়ে
খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এখন বৃষ্টি হওয়ায় মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, বৃষ্টি না হওয়া নিয়ে আমন
কৃষকদের মধ্যে একটু দুশ্চিন্তা ছিল। তবে এখন বৃষ্টি শুরু হওয়াতে তা কেটে গেছে। ইতিমধ্যে
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ সেচখালে পানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই
চাষাবাদের একটু সুযোগ থাকলেই এখানকার কৃষকরা আমন রোপণ করবেই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

মতলব উত্তরে বৃষ্টির পর স্বস্তিতে কৃষক – Rknews71

আপডেট : ০১:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

মনিরুল ইসলাম মনির :

প্রচÐ রোদ আর মাসখানেক মুষল ধারে বৃষ্টির দেখা নেই। চাষের জমি পানিশূন্যতায় ফেটে
গেছে। এই অবস্থায় আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলার কৃষকরা। অবশেষে
শনিবার মুষল ধারে বৃষ্টি হয়। রবিবার সকালেও বৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বস্তি ফিরে এসেছে
আমন চাষিদের মধ্যে।

সরেজমিনে রবিবার উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, পুরোদমে শুরু হয়েছে আমন
চাষ। কাদা-পানিতে আমনের চারা রোপণ করছেন কৃষকরা। এমনভাবে কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত
থাকলে আমন রোপণ শেষ হয়ে যাবে বলে জানান তারা।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে, উপজেলায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে।

দূর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক কামাল হোসেন বলেন, এবার বৃষ্টি না হওয়ায় আমন চাষ নিয়ে
খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এখন বৃষ্টি হওয়ায় মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, বৃষ্টি না হওয়া নিয়ে আমন
কৃষকদের মধ্যে একটু দুশ্চিন্তা ছিল। তবে এখন বৃষ্টি শুরু হওয়াতে তা কেটে গেছে। ইতিমধ্যে
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ সেচখালে পানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই
চাষাবাদের একটু সুযোগ থাকলেই এখানকার কৃষকরা আমন রোপণ করবেই।