মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্ ||
সারাদেশের মতো হাজীগঞ্জেও বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’। বুধবার (৫ অক্টোবর) আনন্দঘন ও উৎসবমূখর পরিবেশে দুর্গা দেবীর প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছেন ভক্তরা। এর মাধ্যমে এই বছরের মতো শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব।
এর আগে গত পহেলা অক্টোবর উপজেলার ২৯টি পূজামন্ডপে চন্ডীপাঠ, বোধন ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে পূজা-অর্চণার মধ্যদিয়ে ভক্তরা দেবী দূর্গার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয় এই দুর্গোৎসব।
এদিন প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। এর আগে দিনব্যাপী সিঁদুর খেলার উৎসবে মেতে উঠেন নারীরা। সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী ফিরে গেলেন স্বর্গলোকের কৈলাসে স্বামীর ঘরে। পরের বছর শরতে আবার তিনি আসবেন এই ধরণীতে।
এদিকে এ বছর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সম্প্রীতি সমাবেশ, হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও পূজামন্ডপ কমিটির সাথে মতবিনিময় করে। সভায় উপস্থিত এবং পরবর্তীতে পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম।
এ ছাড়াও পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন, বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের মহা-পরিচালক (ডিজি) ইঞ্জি. মোহাম্মদ হোসাইন, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দসহ জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।




















