শাখাওয়াত হোসনে শামীম:
চাঁদপুররে হাজীগঞ্জে ড্রাগ লাইসন্সে ও র্ফামাসস্টি ছাড়াই চলছে অধকিাংশ র্ফামসে। ড্রাগ লাইসন্সে ও র্ফামাসস্টি ছাড়া ওষুধ বক্রিরি ক্ষত্রেে ঔষধ প্রশাসন অধদিপ্তররে কঠোর নষিধোজ্ঞা থাকলওে তা মানা হচ্ছে না এসব র্ফামসেতি। অভযিোগ রয়ছে, লাইসন্সেবহিীন এসব র্ফামসেতিে বিক্রি করা হচ্ছে নকল, ভেজাল ও নম্নিমানরে ওষুধ। মাঝমেধ্যে ছোটখাটো অস্ত্রোপচারও করা হচ্ছে এসব র্ফামসেতি। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকরি মধ্যে পড়ছেনে উপজলোবাসী। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে র্ফামসিতে অবাধে
বিক্রি হচ্ছে অবধৈ বিদেশি ওষুধ। ক্রতোদরে কাছে বিদেশি ওষুধ বক্রিি করে অতরিক্তি টাকা হাতিয়ে নওেয়া হচ্ছ।
সরজেমিনে গিয়ে জানা যায়, হাজীগঞ্জ পৌরসভাসহ ১২টি ইউনয়িনরে গুরুত্বর্পূণ স্থান, হাটে-বাজাররে আনাচে কানাচে ব্যাঙরে ছাতার মতো গড়ে উঠছেে শতশত র্ফামসে। এর মধ্যে অনকে র্ফামসেরি ড্রাগ লাইসন্সে নইে। লাইসন্সেবহিীন এসব র্ফামসেতিে অদক্ষ বক্রিয়র্কমীরা ওষুধ বক্রিি করছনে।
নাম প্রকাশ না করার র্শতে এক র্ফামসেরি মালকি বলনে, ড্রাগ লাইসন্সে পাওয়াটা অনকে কঠনি ব্যাপার। তাই লাইসন্সেরে জন্য আবদেন করনি। লাইসন্সে ছাড়াই তাে ওষুধ বক্রিয় করছ, কােনাে সমস্যা তাে হচ্ছে না।
লাইসন্সেধারী র্ফামসেরি মালকিরা জানান, আমাদরে ওষুধরে দােকানে সব সময় র্ফামাসস্টি থাক। রজেস্টর্িাড চকিত্সিকরে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টবিায়ােটকি ওষুধ বক্রিি করা হয় না। তবে অনকে সময় পরচিতি মুখ হলে ওষুধ দতিে হয়।
এ বষিয়ে কথা বলতে চাঁদপুর জলো ঔষধ প্রশাসন অধদিপ্তররে তত্ত্বাবধায়করে সঙ্গে একাধকিবার যোগাযোগ করওে বক্তব্য পাওয়া যায়ন।
হাজীগঞ্জ উপজলোর নর্বিাহী র্কমর্কতা ও নর্বিাহী ম্যাজস্ট্রিটে মোঃ রাশদেুল ইসলাম বলনে,ঔষধ প্রশাসনরে দায়ত্বি র্ফামসেগিুলো দখোশোনা করা। ঔষধ প্রশাসনরে সঙ্গে কথা বলে মোবাইল র্কোট চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হব।ে




















