ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে পুকুর থেকে মাছ চুরির অভিযোগ

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৮:০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • 58

মতলব উত্তর ব্যুরো :

মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামে সুশীল বাবু’র একটি পুকুর থেকে চাষকৃত মাছ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত. শ্রী সুশীল চন্দ্র বিশ্বাসের পুকুর থেকে একই গ্রামের রুহিদাশ চন্দ্র বিশ্বাস, নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস, নিরু চন্দ্র, মধু চন্দ্র, সঞ্জয়, সুমন চন্দ্র ও শ্যামনগর গ্রামের প্রিয় লাল ও গোপাল চন্দ্র নম পূর্ব শত্রুতার জেরে পুকুর থেকে মঙ্গলবার সকালে জাল দিয়ে চাষকৃত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার ৫০ হাজার টাকার অধিক ক্ষতি হয় বলে জানান সুশীল চন্দ্র বিশ্বাস।
মতলব উত্তর উপজেলার ১১নং কালিপুর মৌজার সিএস ৭৪ হালে ৮২০নং খতিয়ানে সাবেক ৭৭৭ হালে ১৩৯৪ দাগে ৩৭ শতক এবং একই মৌজা ও খতিয়ানে সাবেক ৭৭৪ হালে ১৩৯১ দাগে ১০ শতক ডোবা একুনে ৪৭ শতক নাল ও ডোবা সম্মত্তি পৈতিক সূত্রে মালিকানা ভূমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন জানান, রুহিদাশ চন্দ্র বিশ্বাস ও তার আত্মীয়-স্বজনরা মঙ্গলবার ভোরে জাল দিয়ে এ পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়।

সুমন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ পুকুর আমাদের পূর্বপুরুষদের। পৈত্রিক সূত্রে এ জমি ও পুকুরের মালিক আমরা। এ পুকুরে আমরাই মাছ চাষ করেছি।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের বাকিলা খলাপাড়ায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নিখোঁজ, উদ্বেগে স্বজনরা

মতলব উত্তরে পুকুর থেকে মাছ চুরির অভিযোগ

আপডেট : ০৮:০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মতলব উত্তর ব্যুরো :

মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামে সুশীল বাবু’র একটি পুকুর থেকে চাষকৃত মাছ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত. শ্রী সুশীল চন্দ্র বিশ্বাসের পুকুর থেকে একই গ্রামের রুহিদাশ চন্দ্র বিশ্বাস, নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস, নিরু চন্দ্র, মধু চন্দ্র, সঞ্জয়, সুমন চন্দ্র ও শ্যামনগর গ্রামের প্রিয় লাল ও গোপাল চন্দ্র নম পূর্ব শত্রুতার জেরে পুকুর থেকে মঙ্গলবার সকালে জাল দিয়ে চাষকৃত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার ৫০ হাজার টাকার অধিক ক্ষতি হয় বলে জানান সুশীল চন্দ্র বিশ্বাস।
মতলব উত্তর উপজেলার ১১নং কালিপুর মৌজার সিএস ৭৪ হালে ৮২০নং খতিয়ানে সাবেক ৭৭৭ হালে ১৩৯৪ দাগে ৩৭ শতক এবং একই মৌজা ও খতিয়ানে সাবেক ৭৭৪ হালে ১৩৯১ দাগে ১০ শতক ডোবা একুনে ৪৭ শতক নাল ও ডোবা সম্মত্তি পৈতিক সূত্রে মালিকানা ভূমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন জানান, রুহিদাশ চন্দ্র বিশ্বাস ও তার আত্মীয়-স্বজনরা মঙ্গলবার ভোরে জাল দিয়ে এ পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়।

সুমন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ পুকুর আমাদের পূর্বপুরুষদের। পৈত্রিক সূত্রে এ জমি ও পুকুরের মালিক আমরা। এ পুকুরে আমরাই মাছ চাষ করেছি।