ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকা নজরুল ইসলামকে রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান চান সমর্থকরা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 24
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মো. নজরুল ইসলামকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তাঁর সমর্থকদের দাবি,দলের কঠিন সময়ে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা,সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান ইউনিয়নবাসী।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,মো. নজরুল ইসলাম এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ সময়ে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি,সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান।
২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নজরুল ইসলাম। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী,ওই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর রাজনৈতিক কারণে তিনি বিভিন্ন মামলা,হামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে জানান।
নজরুল ইসলাম বলেন, “দলের কঠিন সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর বিভিন্ন মামলা, হামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছি। এরপরও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে যাইনি।”
তিনি আরও বলেন, “ওই সময় আব্দুল হাদী চেয়ারম্যানের ভয়ে বিএনপির পরিচয় দিতে অনেকে ভয় পেতেন। সেই পরিস্থিতিতেও আমি তাঁর বিরুদ্ধে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে ছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে রাজারগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হকের প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম বলেন, “ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ভাই আমার প্রিয় নেতা। তাঁর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। আমি আশা করি, তিনি আমাকে মূল্যায়ন করবেন।”
এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, জনসংযোগ ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে চেয়ারম্যান পদে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হলে তিনি ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তাঁর অগ্রাধিকার সম্পর্কে নজরুল ইসলাম বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে চান। মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, নাগরিক সুবিধা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া, ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সামাজিকভাবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের বাকিলা খলাপাড়ায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নিখোঁজ, উদ্বেগে স্বজনরা

দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকা নজরুল ইসলামকে রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান চান সমর্থকরা

আপডেট : ১১:০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মো. নজরুল ইসলামকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তাঁর সমর্থকদের দাবি,দলের কঠিন সময়ে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা,সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান ইউনিয়নবাসী।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,মো. নজরুল ইসলাম এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ সময়ে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি,সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান।
২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নজরুল ইসলাম। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী,ওই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর রাজনৈতিক কারণে তিনি বিভিন্ন মামলা,হামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে জানান।
নজরুল ইসলাম বলেন, “দলের কঠিন সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর বিভিন্ন মামলা, হামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছি। এরপরও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে যাইনি।”
তিনি আরও বলেন, “ওই সময় আব্দুল হাদী চেয়ারম্যানের ভয়ে বিএনপির পরিচয় দিতে অনেকে ভয় পেতেন। সেই পরিস্থিতিতেও আমি তাঁর বিরুদ্ধে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে ছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে রাজারগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হকের প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম বলেন, “ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ভাই আমার প্রিয় নেতা। তাঁর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। আমি আশা করি, তিনি আমাকে মূল্যায়ন করবেন।”
এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, জনসংযোগ ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে চেয়ারম্যান পদে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হলে তিনি ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তাঁর অগ্রাধিকার সম্পর্কে নজরুল ইসলাম বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে চান। মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, নাগরিক সুবিধা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া, ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সামাজিকভাবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।