ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএনও নিগার সুলতানার সাহসী উদ্যোগে:শাহরাস্তিতে সরকারি খাল উদ্ধার করে জলাবদ্ধতা নিরসন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • 161

 

 

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি পৌর এলাকার দোয়াভাঙ্গা, কালিয়াপাড়া ও মেহের স্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাল দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল দোকান ও অন্যান্য স্থাপনা। ফলে খাল দিয়ে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায় এবং বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা। এতে করে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন।

এই সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নিগার সুলতানা। তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে সরকারি খাল দখল করে গড়ে তোলা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করায় পানি নিষ্কাশনের পথ খুলে যায় এবং জলাবদ্ধতা অনেকটাই দূর হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর ধরে খাল দখল করে রাখা হয়েছিল এবং কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আগের পৌর মেয়রের আমলেও এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলেনি। কিন্তু বর্তমান ইউএনও নিগার সুলতানা সাহসিকতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করেছেন, যা প্রশংসার দাবি রাখে।

এলাকাবাসী বলেন, “ইউএনও ম্যাডামের উদ্যোগে আমরা আবারও হাঁটাচলার উপযোগী পরিবেশ ফিরে পেয়েছি। জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারতো না, রোগবালাই বেড়ে গিয়েছিল। তিনি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দিয়েছেন।”

এই অভিযানে সহায়তা করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিরুপম মজুমদার-কেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ইউএনও নিগার সুলতানার এই উদ্যোগকে ‘ব্যতিক্রমী সাহসিকতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপই প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা শাহিদুল ইসলাম

ইউএনও নিগার সুলতানার সাহসী উদ্যোগে:শাহরাস্তিতে সরকারি খাল উদ্ধার করে জলাবদ্ধতা নিরসন

আপডেট : ১১:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

 

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি পৌর এলাকার দোয়াভাঙ্গা, কালিয়াপাড়া ও মেহের স্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাল দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল দোকান ও অন্যান্য স্থাপনা। ফলে খাল দিয়ে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায় এবং বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা। এতে করে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন।

এই সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নিগার সুলতানা। তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে সরকারি খাল দখল করে গড়ে তোলা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করায় পানি নিষ্কাশনের পথ খুলে যায় এবং জলাবদ্ধতা অনেকটাই দূর হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর ধরে খাল দখল করে রাখা হয়েছিল এবং কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আগের পৌর মেয়রের আমলেও এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলেনি। কিন্তু বর্তমান ইউএনও নিগার সুলতানা সাহসিকতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করেছেন, যা প্রশংসার দাবি রাখে।

এলাকাবাসী বলেন, “ইউএনও ম্যাডামের উদ্যোগে আমরা আবারও হাঁটাচলার উপযোগী পরিবেশ ফিরে পেয়েছি। জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারতো না, রোগবালাই বেড়ে গিয়েছিল। তিনি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দিয়েছেন।”

এই অভিযানে সহায়তা করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিরুপম মজুমদার-কেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ইউএনও নিগার সুলতানার এই উদ্যোগকে ‘ব্যতিক্রমী সাহসিকতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপই প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।