শাহরাস্তি পৌর ১০নং ওয়ার্ডে জনশূন্য জায়গায় ব্যক্তিগত স্বার্থে রাস্তা তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌর কর্মচারী নিম্নমান সহকারীর সোলেমান মিয়া বিরুদ্ধে চাকরির প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার করে রাস্তা করার এ অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় পৌর কর্মচারী নিম্নমান সহকারীর সোলাইমান মিয়া চাকুরীর প্রভাব দেখিয়ে জনশূণ্য ওয়ারিশ সূত্রের জায়গায় ব্যক্তিগত স্বার্থে রাস্তা তৈরি করেছেন বলে জানা যায়।
পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড সেনগাঁও গ্রামের বাদশা পন্ডিত বাড়ির পূর্ব পাশে আনুমানিক ৪৫০ ফুট সলিং রাস্তা। বর্তমানে রাস্তাটি কার্পেটিং রাস্তার সংযোগ রয়েছে ভিতরের অংশে বাড়িঘর না থাকা সত্বেও নিজ স্বার্থে এ রাস্তাটি করেছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী আরও জানান বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের
জন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন বাড়ির লোকজন চলাফেরা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হলেও রাস্তার কাজ হচ্ছে না।
কিন্তু যেখানে ঘর-বাড়ি না থাকা, জনশূন্য স্থানে সলিং রাস্তাটি করার বিষয়ে এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ।
এমনিক ওয়ার্ডের অনেক বাড়িতে মানুষের বসবাস থাকার পরে রাস্তা হয় নাই কিন্তু দুঃখের বিষয়, জনশূন্য একটি জায়গায় রাস্তা করে সরকারি টাকা অপচর করা হয়। অপরদিকে মিয়াজী বাড়ি সংলগ্ন উক্ত রাস্তাটি পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করার অভিযোগ উঠে এতে করে স্থানীয় মানুষের কৃষি কাজে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, তেমনি ভাবে উক্ত রাস্তাটিও কারো কোন উপকারে আসে নাই।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসকের সু-বিবেচনা করিয়া যথাযাথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে মহোদয়ের সু-মর্জি কামনা করছেন এলাকাবাসী।
উক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত পৌর নিম্নমান সহকারী মোঃ সোলেমান মিয়া জানান পৌরসভার কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সম্পূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সলিং রাস্তাটি সম্পন্ন করেছেন। এতে আমার কোন হাত নেই। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা অ-সত্য ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে পৌর সচিব মোঃ মশিউর রহমান জানান জনশূন্যস্থানে পৌরসভা রাস্তা করার নিয়ম নেই। তবে কষি জমি থাকলে সে জায়গায় কৃষকদের কথা বিবেচনা করে সলিং রাস্তা করা যায়।
তবে এ কাজটি আমি যোগদান করার পূর্বে হয়েছে। সঠিক কাগজপত্র দেখা ছাড়া আমি তা বলতে পারতেছি না।




















