ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অপহরণ চেষ্টা ও লাঞ্ছনার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৫:০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • 43

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা মাহবুব মোরশেদ কচি তাকে লাঞ্ছনা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার(১৭ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশকে কেন্দ্র করে এম এ হান্নান গ্রুপের অনুসারীদের হাতে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদের অনুসারী ও গল্লাক আদর্শ কলেজের সভাপতি মাহবুব মোরশেদ কচি ও বিদূৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদ শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্থার শিকার হন। তাদেরকে টেনে হেচঁড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে তাদেরকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৬ নভেম্বর জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় ফরিদগঞ্জের গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির অনুমোদন দেয়। এতে সভাপতি হিসেবে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রসিদ গ্রুপ পের বিএনপি নেতা মাহবুব মোরশেদ কচি সভাপতি নির্বাচিত হন। গত শনিবার (১৬ নভেম্বর) কলেজ সভাপতির বাসভবনে দুটি সভা হওয়ার পর রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক এম এ হান্নানের অনুসারী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহŸায়ক আবুল কালাম আজাদ এর পক্ষের লোকজন মতবিনিময় সভাকে বাঁধা দিতে কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয়। পরবর্তীতে ইউএনও ও ওসির নিদের্শে মতবিনিময় সভা স্থগিত করে তাদের অনুরোধে দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেইটে আসলে এম এ হান্নানের অনুসারীরা আমার ও গভর্ণিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদের উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে আমাকে জোর পূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ও পরে সেনাবাহিনী এসে আমাদের উদ্ধার করে ইউএনও অফিসে নিয়ে যায়। ইউএনওর অফিসে আমাকে ডাঃ আবুল কালাম আজাদসহ অন্যরা পদত্যাগ করতে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু আমি রাজি না হয়ে সভা ত্যাগ করে চলে এসেছি। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলেও বিএনপি নামধারী একটি গ্রæপের মাধ্যমে তারা প্রকৃত বিএনপির নেতাকর্মীদের নাজেহাল ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। তারা কলেজ অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগের দোসর হরিপদ দাস ও সাবেক বিদ্যোৎসাহী সদস্য উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খাজে আহমেদ মজুমদারকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজ কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদ, গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান পাটওয়ারী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহŸায়ক নাসির পাটওয়ারী, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন কোম্পানি, পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, পৌর যুবদল টুটুল পাটওয়ারী, পেয়ার আহাম্মদ, মোহাম্মদ আলী, শাওন পাঠান, মো.আলম প্রমুখ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত: বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান

ফরিদগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অপহরণ চেষ্টা ও লাঞ্ছনার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৫:০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা মাহবুব মোরশেদ কচি তাকে লাঞ্ছনা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার(১৭ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশকে কেন্দ্র করে এম এ হান্নান গ্রুপের অনুসারীদের হাতে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদের অনুসারী ও গল্লাক আদর্শ কলেজের সভাপতি মাহবুব মোরশেদ কচি ও বিদূৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদ শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্থার শিকার হন। তাদেরকে টেনে হেচঁড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে তাদেরকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৬ নভেম্বর জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় ফরিদগঞ্জের গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির অনুমোদন দেয়। এতে সভাপতি হিসেবে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রসিদ গ্রুপ পের বিএনপি নেতা মাহবুব মোরশেদ কচি সভাপতি নির্বাচিত হন। গত শনিবার (১৬ নভেম্বর) কলেজ সভাপতির বাসভবনে দুটি সভা হওয়ার পর রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক এম এ হান্নানের অনুসারী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহŸায়ক আবুল কালাম আজাদ এর পক্ষের লোকজন মতবিনিময় সভাকে বাঁধা দিতে কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয়। পরবর্তীতে ইউএনও ও ওসির নিদের্শে মতবিনিময় সভা স্থগিত করে তাদের অনুরোধে দুপুরে উপজেলা পরিষদ গেইটে আসলে এম এ হান্নানের অনুসারীরা আমার ও গভর্ণিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদের উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে আমাকে জোর পূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ও পরে সেনাবাহিনী এসে আমাদের উদ্ধার করে ইউএনও অফিসে নিয়ে যায়। ইউএনওর অফিসে আমাকে ডাঃ আবুল কালাম আজাদসহ অন্যরা পদত্যাগ করতে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু আমি রাজি না হয়ে সভা ত্যাগ করে চলে এসেছি। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলেও বিএনপি নামধারী একটি গ্রæপের মাধ্যমে তারা প্রকৃত বিএনপির নেতাকর্মীদের নাজেহাল ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। তারা কলেজ অধ্যক্ষ আওয়ামী লীগের দোসর হরিপদ দাস ও সাবেক বিদ্যোৎসাহী সদস্য উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খাজে আহমেদ মজুমদারকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজ কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য এরশাদ মাহমুদ, গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান পাটওয়ারী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহŸায়ক নাসির পাটওয়ারী, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন কোম্পানি, পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, পৌর যুবদল টুটুল পাটওয়ারী, পেয়ার আহাম্মদ, মোহাম্মদ আলী, শাওন পাঠান, মো.আলম প্রমুখ।